পর্যটকদের একটি বদভ্যাসে বিরক্ত জাপান

এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি বাড়ছে। ইকেবুকুরো-হোনচোর এক বাসিন্দা ইয়োমিউরি শিম্বুনকে জানিয়েছেন, এলাকায় স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার আবাসন বাড়ার পর থেকে তিনি রাস্তায় ৫০ টিরও বেশি পরিত্যক্ত স্যুটকেস দেখেছেন।
পরিত্যক্ত ব্যাগের ভেতরে কী আছে, তা নিয়ে উদ্বেগ থেকে অনেক বাসিন্দা পুলিশকে খবর দেন। তোশিমা ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের পরিচালক মিৎসুহিরো তাকাকুয়ার ভাষ্য, কখনো কখনো পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ভারী স্যুটকেস পরীক্ষা করতে হয়। এতে কর্মীদের অনেক সময় নষ্ট হয়।
নিক্কেইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে টোকিওতে প্রায় ৪ হাজার ৬০০টি স্যুটকেস কুড়িয়ে পাওয়া সম্পত্তি হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। ২০২২ সালে এ সংখ্যা ছিল প্রায় ২ হাজার ৬০০। পুলিশ তিন মাস ধরে সংরক্ষণ করলেও প্রায় ৭০ শতাংশ স্যুটকেসের মালিক খুঁজে পাওয়া যায় না।
বিমানবন্দরগুলোতেও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। ২০২৫ সালে নারিতা বিমানবন্দরে ১ হাজার ২০১টি পরিত্যক্ত স্যুটকেস পাওয়া গেছে, যা তিন বছর আগের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। নাগোয়ার চুবু সেন্ট্রেয়ার বিমানবন্দরে প্রতি মাসে প্রায় ৫০টি স্যুটকেস পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
জাপান ন্যাশনাল টুরিজম অর্গানাইজেশনের হিসাবে, ২০২৫ সালে দেশটিতে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা রেকর্ড ৪ কোটি ২৬ লাখ ৮৩ হাজার ৬০০-তে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
জাপানের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী, অবৈধভাবে বর্জ্য ফেলার অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, ১ কোটি ইয়েন জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

