চট্টগ্রামে যুবদল নেতার পক্ষ ত্যাগ করায় যুবককে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যাচেষ্টা

ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, মেহেদী নামে এক যুবকের সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার আগের দিন দুজনের মধ্যে ঝামেলাও হয়েছিল। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, জীবনসহ চার-পাঁচজন কুঞ্জছায়া আবাসিকের ২ নম্বর সড়কে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রদল নেতা ইকরাম বাবু, আরমান, মেহেদী, নাবিদসহ ১৩ থেকে ১৪ জন অতর্কিত জীবনের ওপর হামলা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলাকারীদের হাতে ছুরি ছিল এবং কয়েকজনের কাছে পিস্তল ছিল। ইকরাম বাবুসহ কয়েকজন হেলমেট পরা ছিলেন। তাঁরা প্রথমে জীবনকে কিল-ঘুষি মারেন, পরে ছুরিকাঘাত করেন। একপর্যায়ে ইকরাম বাবু পিস্তল বের করে জীবনের পা লক্ষ্য করে গুলি করেন। হামলার পর তাঁরা হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত দুজন ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জুয়েলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
দলীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গত দুই বছর ধরে জুয়েলের অনুসারী হিসেবে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতেন জীবন। সম্প্রতি জুয়েলের পক্ষ ছেড়ে চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুরুজ্জামান শিমুলের দলে যোগ দেন তিনি। এ নিয়ে জুয়েলের রোষানলে ছিলেন জীবন।
সূত্রগুলো আরও বলেছে, মেহেদী নামে জুয়েলের ভাগিনা ও তাঁর কয়েকজন অনুসারীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জীবনের বিরোধ চলছিল। হামলার আগের দিন জীবনের ছোট ভাইকে জোর করে এলাকা থেকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

