রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
রেস্টুরেন্টে তাহসিফ-দীপের সঙ্গে থাকা সেই নারী কে, কী ঘটেছিল টঙ্গীর বস্তিতেপল্টনে সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক আহতসিআইডির সাবেক প্রধানের গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক গুরুতর আহতকেশবপুরে ধানখেতের আইলের পাশের ড্রেনে দুই নারী-পুরুষের মরদেহচীন বিতর্কে মরিনহোর সমর্থন পেলেন এমবাপ্পেস্পেনে লুটপাটের আশঙ্কায় শপিং মল-দোকানের কাচ ঢেকে দিলেন ব্যবসায়ীরালংমার্চ থেকে ফেরা বাসচাপায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে আহত অর্ধশতইতিহাদে ব্রাইটনের ইতিহাস, টানা দ্বিতীয় হার সিটিরদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রীবনানীতে ক্লাব নটরডেমিয়ান্সের বিশেষ স্বাস্থ্য সেমিনার
বিজ্ঞাপন

খুলনায় ৬ কলেজের কেউ পাস করেননি

নিজস্ব প্রতিবেদক৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
খুলনায় ৬ কলেজের কেউ পাস করেননি

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন খুলনা জেলার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। সব মিলিয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এমন ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে অনুমোদিত ফলাফলসংক্রান্ত তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খুলনার শূন্য পাসের ছয়টি প্রতিষ্ঠান হলো ডুমুরিয়া মডেল মহিলা কলেজ, ইন্ডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির, কয়রার শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রূপসার কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস কলেজ এবং খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে যথাক্রমে ৩, ১১, ৩, ২৯, ১ ও ১২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করতে পারেননি।

এর মধ্যে কয়রার শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফল সবচেয়ে হতাশাজনক। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ এস এক আকবর হোসেন বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এবার ২৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। তারা লেখাপড়ায় চরম অমনোযোগী ছিল এবং নিয়মিত কলেজে আসত না। প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পরও অভিভাবকদের অনুরোধে সবাইকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে এমন ফল হয়েছে।

কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকশানা পারভীন বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এদিকে, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির থেকেও এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিনজনের কেউ পাস করতে পারেননি। গত বছরও প্রতিষ্ঠানটি থেকে পাঁচজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেউ উত্তীর্ণ হননি। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার মণ্ডল। এর পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি খুলনা জেলা প্রশাসক।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...