সালিসে দাম্পত্য কলহ মেটানোর পর গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক

পরে লামিয়ার ছোট ভাই ওবায়দুল মাদবর তাঁকে খুঁজতে গিয়ে ডোবায় পড়ে থাকতে দেখেন। সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে লামিয়ার মৃত্যু হয়।
নিহতের মা শাহিদা আক্তার বলেন, ‘বিয়ের পর থেকে রবিউল মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে কথা বললে প্রায়ই আমার মেয়েকে মারধর করত। এ বিষয়ে আমরা থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছি। সর্বশেষ গত সপ্তাহে রবিউলকে তালাক দেওয়ার কথা বলে লামিয়া আমাদের বাড়িতে চলে আসে। গতকাল তাঁদের পরিবারের লোকজন সমাধানের কথা বলে লামিয়াকে ডেকে নেন। দুজনের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করে দিলে আমরা বাড়ি ফিরে আসি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই শুনি, আমার মেয়ের গলা কেটে রবিউল পালিয়ে গেছে। সেখানে গিয়ে দেখি, আমার মেয়েকে ডোবা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীর বিচার চাই।’
ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনার পর মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অভিযুক্ত রবিউলকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

