রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
পল্টনে সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক আহতসিআইডির সাবেক প্রধানের গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক গুরুতর আহতকেশবপুরে ধানখেতের আইলের পাশের ড্রেনে দুই নারী-পুরুষের মরদেহচীন বিতর্কে মরিনহোর সমর্থন পেলেন এমবাপ্পেস্পেনে লুটপাটের আশঙ্কায় শপিং মল-দোকানের কাচ ঢেকে দিলেন ব্যবসায়ীরালংমার্চ থেকে ফেরা বাসচাপায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে আহত অর্ধশতইতিহাদে ব্রাইটনের ইতিহাস, টানা দ্বিতীয় হার সিটিরদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রীবনানীতে ক্লাব নটরডেমিয়ান্সের বিশেষ স্বাস্থ্য সেমিনারদাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরব না: জামায়াত আমির
বিজ্ঞাপন

এশিয়ায় জ্বালানি প্রবাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সিঙ্গাপুরে মাটির নিচে তেল মজুত করবে সৌদি

নিজস্ব প্রতিবেদক২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম
এশিয়ায় জ্বালানি প্রবাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সিঙ্গাপুরে মাটির নিচে তেল মজুত করবে সৌদি

তিনি জানান, সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা সৌদি আরামকো সোমবার সিঙ্গাপুরের এনার্জি মার্কেট অথরিটি এবং জেটিসি করপোরেশনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

সম্মেলনে ভিডিওবার্তায় সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুলআজিজ বিন সালমান আল-সৌদ বলেন, এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোর কাছাকাছি তেলের সরবরাহ নিয়ে আসতে পারলে সরবরাহ নেটওয়ার্কের নমনীয়তা বাড়বে। পাশাপাশি সিঙ্গাপুরের জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে।

জুরং রক ক্যাভার্ন সিঙ্গাপুরের জুরং দ্বীপে ভূগর্ভে অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম এবং বৃহত্তম ভূগর্ভস্থ বাণিজ্যিক তরল তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল সংরক্ষণাগার। এটি মাটির বহু গভীরে পাথরের শিলা কেটে তৈরি করা এক বিশাল কৃত্রিম গুহা বা স্টোরেজ ব্যবস্থা, যেখানে অপরিশোধিত তেল ও বিভিন্ন জ্বালানি রাখা হয়। ভূগর্ভের ১৫০ মিটার বা ৪৯২ ফুট গভীরে অবস্থিত জুরং দ্বীপের রক ক্যাভার্নসে সর্বোচ্চ ১৪ লাখ ৭০ হাজার ঘনমিটার তরল হাইড্রোকার্বন মজুত করা যায়। অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেটের মতো জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য নির্মিত এই স্থাপনার ধারণক্ষমতা প্রায় ৯০ লাখ ব্যারেল।

বর্তমানে সৌদি আরামকো জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় অপরিশোধিত তেল মজুত করে। অপ্রত্যাশিতভাবে তেলের ঘাটতি দেখা দিলে এসব মজুত থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকার অগ্রাধিকার পায়।

জাপানের ওকিনাওয়ায় তেল মজুতের সক্ষমতা ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে বাড়িয়ে ৮২ লাখ ব্যারেল করা হয়। সৌদি আরামকো জাপানের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জাপানের তেল, গ্যাস ও ধাতু বিষয়ক জাতীয় সংস্থা জোগমেকের (JOGMEC) সঙ্গে চুক্তির আওতায় এই সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছিল।

এ ছাড়া, ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা কোরিয়া ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশনের সঙ্গে চুক্তি করে সৌদি আরামকো। ওই চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার উলসান বন্দরের মজুতকেন্দ্রে পাঁচ বছরের জন্য ৫৩ লাখ ব্যারেল তেল সংরক্ষণ করা হবে।

এদিকে, এশিয়াজুড়ে অপরিশোধিত তেলের মজুত বাড়াতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে জাপান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি চলতি বছরের শুরুতে ‘পার্টনারশিপ ইন ওয়াইড এনার্জি অ্যান্ড রিসোর্সেস রেজিলিয়েন্স এশিয়া’ বা ‘পাওয়ার এশিয়া’ উদ্যোগের প্রস্তাব দেন। এই উদ্যোগের আওতায় ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে বিপুল পরিমাণ তেলের মজুত গড়ে তুলেছে। তবে এশিয়ার অন্য বেশির ভাগ দেশের তেলের মজুত তুলনামূলকভাবে কম। ফলে আন্তর্জাতিক সরবরাহে আকস্মিক বিঘ্ন দেখা দিলে এসব দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা সীমিত হতে পারে।

আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...