সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন

বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি, ৯০ দিনের রসদ সংরক্ষণ করছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম
বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি, ৯০ দিনের রসদ সংরক্ষণ করছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো

বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা

পেন্টাগনের অন্যতম প্রধান উদ্বেগ বেসামরিক বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর সামরিক বাহিনীর নির্ভরশীলতা। যোগাযোগ, রসদ ব্যবস্থাপনা এবং অস্ত্র উৎপাদনসহ সামরিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এ বিদ্যুৎব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে। ফোর্ট্রেস উদ্যোগে বহনযোগ্য পারমাণবিক চুল্লি, বৃহৎ পরিসরের ব্যাটারি সংরক্ষণব্যবস্থা এবং মাইক্রোগ্রিড স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে সামরিক স্থাপনাগুলোকে বেসামরিক বিদ্যুৎ গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা সম্ভব হবে। ফলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও স্থাপনাগুলো নিজস্ব ব্যবস্থায় কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।

পার্নেল বলেন, ‘মিশনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থাকে স্বাধীন, সুরক্ষিত এবং বিকল্প ব্যবস্থাসম্পন্ন হতে হবে।’

পেন্টাগন ইতিমধ্যে বড় সামরিক স্থাপনাগুলোর বেসামরিক বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। তবে নতুন ৯০ দিনের স্বনির্ভরতার মানদণ্ড শুধু বিদ্যুৎ সরবরাহে সীমাবদ্ধ নয়। সামরিক কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজনীয় অন্যান্য মৌলিক পরিষেবাও এর আওতায় থাকবে।

বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

যুদ্ধের প্রস্তুতিতে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে পেন্টাগন। সামরিক বাহিনীর অস্ত্র, সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের একটি বড় অংশ আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থার মাধ্যমে আসে। পার্নেল বলেন, ‘পরবর্তী সংঘাত সম্ভবত একাধিক রণাঙ্গনে পরিচালিত হবে। বড় কোনো যুদ্ধের পেছনের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে তাকান। এমনটা ঘটলে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।’

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফোর্ট্রেসের আওতায় গোলাবারুদ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, খুচরা যন্ত্রাংশ এবং চিকিৎসাসামগ্রীর কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক সরবরাহপথ ব্যাহত হলে কিংবা যুদ্ধকালীন চাহিদা অনুযায়ী দেশীয় উৎপাদকরা সরবরাহ বাড়াতে ব্যর্থ হলে এসব মজুত সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে সহায়তা করবে। যুদ্ধের সময় কোনো উপকরণ কত দ্রুত ব্যবহৃত হচ্ছে এবং উৎপাদকদের নতুন করে সেই সরবরাহ পূরণ করতে কত সময় লাগছে, তার ভিত্তিতে মজুতের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হবে।

এ ছাড়া সামরিক বাহিনীর প্রতিরক্ষা সক্ষমতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ও ব্যবস্থাগুলোর ক্ষেত্রে অন্তত দুটি যোগ্য সরবরাহ বা উৎপাদনপথ নিশ্চিত করার শর্ত রাখা হয়েছে। এর ফলে কোনো একটি কারখানা, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কিংবা শিল্প সক্ষমতা হারিয়ে গেলেও সামরিক কার্যক্রমে বিঘ্নের ঝুঁকি কমবে।

আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...