ইরান যুদ্ধ ও মধ্যবর্তী নির্বাচনে লেজেগোবরে অবস্থা রিপাবলিকানদের, বলির পাঁঠা হচ্ছেন হেগসেথ?

ইরান যুদ্ধের পক্ষে হেগসেথের ভূমিকার কথাও প্রকাশ্যে তুলে ধরেছেন ট্রাম্প। গত ২৩ মার্চ তিনি বলেন, ‘পিট, আমার মনে হয়, আপনিই প্রথম এ বিষয়ে কথা বলেছিলেন। আপনি বলেছিলেন, আমাদের এটা করা উচিত, কারণ তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে দেওয়া যায় না।’
মার্কিন রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হেগসেথ। নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির মধ্যেও তাঁর বিরোধী ও সমালোচকের সংখ্যা বেড়েছে। রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস মঙ্গলবার রাতে সিবিএস নিউজকে বলেন, হেগসেথকে সামনে কঠিন জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে। আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে তাঁর টানাপোড়েনের সম্পর্ক ট্রাম্প প্রশাসনের ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যয় প্যাকেজ কংগ্রেসে পাস করানোর প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল প্রকাশের সময় টিলিস বলেন, ‘নির্বাচনের পর আমাদের বিবেচনা করতে হবে, প্রতিরক্ষা খাতের প্রয়োজনীয়তা কংগ্রেসের সামনে তুলে ধরার জন্য হেগসেথই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি কি না। বিশেষ করে, চলতি কংগ্রেসের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তিনি যদি কোনো উদ্যোগ পাস করাতে চান, তাহলে হাতে সময় রয়েছে মাত্র ৬০ দিন।’
অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটরা হেগসেথের দায়িত্ব পালন এবং পেন্টাগন পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ডেমোক্র্যাট নেতাদের সহযোগীরা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য তদন্তে ইরান যুদ্ধ পরিচালনার পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হতে পারে। যাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যানও রয়েছেন।

