ওজন কমানোর ওষুধে কমছে কসমেটিক সার্জারির চাহিদা

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধ আরও সহজলভ্য হলে এ পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে তিনটি হরমোন রিসেপ্টরে কাজ করা পরীক্ষাধীন ওষুধ রেটাট্রুটাইড ওজন সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে বলে প্রাথমিক পরীক্ষায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে ওষুধটির নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এখনো হয়নি।
পারাশারের মতে, ওজন কমানোর ওষুধের অগ্রগতি সত্ত্বেও ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ফিরিয়ে আনার কার্যকর চিকিৎসা এখনো নেই। ফলে ত্বক ঝুলে যাওয়ার সমস্যা মোকাবিলায় কসমেটিক সার্জারির চাহিদা থাকবে।
এদিকে, দুবাইয়ের আরেক প্লাস্টিক সার্জন দিমিত্রি মেলনিকভ বলেন, মানুষ এখন তুলনামূলক ছোট ও স্বাভাবিক আকৃতির স্তনের প্রতি বেশি আগ্রহী। মুখে অতিরিক্ত ফিলার ব্যবহারের বদলে ত্বকের গুণমান ও শরীরের নিজস্ব কোলাজেন উৎপাদন বাড়ানোর চিকিৎসাও জনপ্রিয় হচ্ছে। জরিপে এক বছরে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ফিলারের চাহিদা প্রায় ২৫ শতাংশ কমার তথ্য উঠে এসেছে।
বিশ্বখ্যাত প্রসাধনী প্রতিষ্ঠান লরিয়ালের প্রধান নির্বাহী নিকোলা হিয়েরোনিমাসও বলেছেন, ওজন কমানোর ওষুধ সৌন্দর্যশিল্পে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে। দ্রুত ওজন কমার পর ত্বক ঝুলে যাওয়ার সমস্যা মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানটি জিএলপি-১ ওষুধের পাশাপাশি ব্যবহারযোগ্য পণ্য তৈরি করছে।
অন্যদিকে, দুবাইয়ের এনএমসি রয়্যাল হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জন বিকাশ ভার্মার মতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্লিনিকের সংখ্যা বৃদ্ধি, তীব্র মূল্য প্রতিযোগিতা এবং দ্রুত ফল পাওয়া যায় এমন আক্রমণাত্মক চিকিৎসার প্রতি আগ্রহও অস্ত্রোপচারের চাহিদা কমার কারণ।
জরিপ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় অস্ত্রোপচার ছিল চোখের পাতার সার্জারি। এ ধরনের অস্ত্রোপচার হয়েছে ২৪ লাখ ৬০ হাজারটি।

