রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
তিন ইউনিয়নে যাতায়াতের ভরসা নৌকা, সন্ধ্যা নামলেই ‘বিচ্ছিন্ন জনপদ’৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে ফের মিরপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধঅর্থসংকটে ঝুলে আছে ৭০ হাজার শিক্ষকের অবসর সুবিধাইরানে এখনো দু-একটি কাজ বাকি, ১০ মিনিটেই তা করতে পারি: ট্রাম্পগাজীপুরে শ্রমিক অবরোধ: পুলিশ বক্সে আগুন, বিজিবি মোতায়েনজাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কে. এম. মোজিবুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎবেলা সাড়ে ১১টায় মজুরি বোর্ড ঘোষণা: শ্রমমন্ত্রীবাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শন সফররত সেনাবাহিনীর সিজিএস’রইয়েমেনের নতুন সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ২ লাখ ৯০ হাজার: জাতিসংঘমন্ত্রী-আমলাদের সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করলেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন

আদিম পাথারিয়া পাহাড়ের আলিঙ্গনে

নিজস্ব প্রতিবেদক২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
আদিম পাথারিয়া পাহাড়ের আলিঙ্গনে

প্রকৃতির ডাকে প্রকৃতির সঙ্গে

কাছ থেকেই ফিরে না এসে পাহাড়ের ওপর থেকে কিছুটা নিচে নেমে সঞ্জীত ঝরনার গায়ে নিজেদের দেহটাও আলতো করে মিলিয়ে দিই। অবিশ্বাস্য! কিছুটা সময় পেরোতেই মায়াজালে আটকে গেলাম। অলসভাবে বসে থাকতে থাকতে সন্ধ্যা নেমে এল। এবার ছুটলাম আরেক পাহাড়ের ওপর থাকা জুমঘরে। রাতটা সেখানেই কাটাব। জুমঘরটা কিছুটা অগোছালো হলেও উপায় নেই। লোকালয়ে ফেরার তখন কোনো সুযোগ ছিল না। পরদিন ভোরে আশপাশের নৈসর্গিক পরিবেশ মন শান্ত করে দিল। বারান্দায় দাঁড়িয়ে উল্লুকের হাঁকডাক বেশ লাগল। আরও ভালো লাগার মতো ব্যাপার, মহাবিশ্বের খোলা ক্যানভাসের নিচে সব কৃত্রিমতার সীমানা ছাড়িয়ে প্রকৃতির ডাকে প্রকৃতির সঙ্গেই একাত্ম হওয়ার এক অন্য রকম স্বাধীনতা। যাই এবার আতরবাগান ছাড়িয়ে কাঁকড়াছড়া ঝরনার প্রান্তরে। হাইকিং-ট্রেকিং করতে করতে ঢুকে যাই বুনো এক ঝিরিতে। একের পর এক পাথারিয়ার পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা নানা সৌন্দর্য চোখে ধরা দিয়েই যাচ্ছে। প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়। ঝিরিপথে থাকা গাছে গাছে ঢাউস সাইজের পাকা ডুমুর, যা দেখতে একেকটা বড়সড় লাল আনারের মতো। অন্যান্য ঝিরির চেয়ে কাঁকড়াছড়া ঝিরির পাথরগুলোও বেশ বড় ও গোলাকার। এমনই নজরকাড়া ঝিরিপথ ধরে যেতে যেতে কাঁকড়াছড়া ঝরনার প্রান্তরে হাজির। প্রথম দেখাতেই নয়নজোড়া মোর মুগ্ধ। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা করা সম্ভব নয়। এর চেয়ে ভালো পাঠকের ওপরই ছেড়ে দিলাম। তারাই নাহয় ঘুরতে গিয়ে নিজের চোখে দেখে আসুক। আর এই সুযোগে আমরাও দিনের শুরুতেই কাঁকড়াছড়া ঝরনায় অবগাহনে মেতে উঠি। হুট করেই আকাশ মেঘলা হয়ে বিকট গর্জন। আচমকা হরকাবানের ভয়ে দ্রুত ফিরতি পথ ধরি।

যাতায়াত

ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে দিনে-রাতে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলাগামী বিভিন্ন পরিবহনের বাস ছেড়ে যায়। বাস থেকে বড়লেখা উপজেলার ডিমাই বাজারে নেমে যেতে হবে। সেখান থেকে অটোরিকশায় করে আহমেদপুর গ্রাম। এরপর স্থানীয় কাউকে সঙ্গে নিয়ে হাইকিং-ট্রেকিং।

থাকা-খাওয়া

উপজেলা সদরে মানভেদে বেশ কিছু আবাসিক ও খাবারের হোটেল রয়েছে।

লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...