ক্ষুধা মোকাবিলায় ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ: নেপথ্যে নারীর কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবা

দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় ক্ষুধা মোকাবিলার লড়াইয়ে স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা খাতের বিস্তৃতি এবং নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের কারণেই দেশটি এই অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছে।
অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি
লন্ডনভিত্তিক আর্থিক বিশ্লেষক জাভেদ হাসান চুয়াডাঙ্গা ডট নেটকে জানান, তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতের বিকাশ বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক নারীর কাজের ক্ষেত্র তৈরি করেছে। একই সঙ্গে কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীদের তৎপরতায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এর বাইরেও উন্নত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার প্রসার এবং মেয়েদের পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধি ক্ষুধা দূরীকরণে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
নারী কর্মসংস্থানের এই ইতিবাচক ধারাকে ক্ষুধা জয়ের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন ইসলামাবাদভিত্তিক স্বাধীন অর্থনীতিবিদ নিয়াজ মুর্তাজাও। তাঁর মতে, কর্মক্ষেত্রে নারীদের ধারাবাহিক অংশগ্রহণ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পথ সুগম করেছে।
এদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষুধা সূচকের দিক থেকে পাকিস্তানের পরিস্থিতির সঙ্গে ভারতের খুব একটা ফারাক নেই। প্রতিবেশী এই দুই দেশের ক্ষুধা সূচকের স্কোর প্রায় কাছাকাছি হলেও সামাজিক বিভিন্ন খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ তাদের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে।

