নজরুলের মানবতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে আলোকিত করার আহ্বান সংস্কৃতিমন্ত্রীর

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি বহুমাত্রিক ও বৈচিত্র্যপূর্ণ। নৌকাবাইচ, যাত্রাশিল্প, বাউলগান এবং হাছন রাজা, লালন ও বিজয় সরকারের গানসহ লোকজ ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারে গুরুত্ব দিতে হবে। পাহাড় ও সমতলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সম্মিলনে গড়ে উঠেছে নদীমাতৃক বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় সংস্কৃতি সচিব ইয়াসমিন বেগম বলেন, নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় কবির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও বহুমাত্রিক সৃষ্টিশীল ভাবনা ছড়িয়ে দেওয়া। তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশের পাশাপাশি তাদের মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজমুল হক, আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নুরজাহান আক্তার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হেলাল খান ও সদস্যসচিব জাকির হোসেন রোকন। পরে অতিথিরা প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

