শিক্ষকদের আন্দোলন দমাতে প্রভাব বিস্তার করছেন শিক্ষামন্ত্রী, দাবি শিক্ষক নেতা আজিজীর

এ শিক্ষকনেতা আরও বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার টাঙ্গাইলে একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আমাকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কথা বলেছেন। আমার আন্দোলন নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। অথচ তার বিপদের দিনে এই শিক্ষকরাই পাশে থেকেছে।’
দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘শিক্ষকরা যৌক্তিক দাবি আদায়ে কর্মসূচি দিয়েছেন। তিনি শিক্ষকদের ডেকে তাদের দাবি বা আন্দোলনের ব্যাপারে জানতে চাইতে পারতেন। তিনি আমাদের অভিভাবক। কিন্তু তা না করে আন্দোলন দমন করতে শিক্ষকদের পেছনে লেগেছেন।’
শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) পরিচয়ে নূরুল আফসার দীপু জানান, মন্ত্রী বৈঠকে রয়েছেন। শিক্ষকদের পেছনে লাগার মতো সময় মন্ত্রীর আছে কি না, তা তার জানা নেই।
আগামী ৪ নভেম্বরের কর্মসূচি হবে কি না, জানতে চাইলে দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘শিক্ষকদের অধিকার আদায়ে আমার কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না। আমার চাকরি গেলেও আন্দোলন চলবে।’
প্রসঙ্গত, তিন দাবিতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের আয়োজনে আগামী ৪ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচির তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। শিক্ষকদের দাবির মধ্যে রয়েছে- নবম পে স্কেল অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদান করতে হবে; অবিলম্বে এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষকদের বদলির আদেশ জারি এবং আগামী ঈদুল ফিতর থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান করতে হবে।

