রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
পল্টনে সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক আহতসিআইডির সাবেক প্রধানের গাড়ির ধাক্কায় রিকশাচালক গুরুতর আহতকেশবপুরে ধানখেতের আইলের পাশের ড্রেনে দুই নারী-পুরুষের মরদেহচীন বিতর্কে মরিনহোর সমর্থন পেলেন এমবাপ্পেস্পেনে লুটপাটের আশঙ্কায় শপিং মল-দোকানের কাচ ঢেকে দিলেন ব্যবসায়ীরালংমার্চ থেকে ফেরা বাসচাপায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে আহত অর্ধশতইতিহাদে ব্রাইটনের ইতিহাস, টানা দ্বিতীয় হার সিটিরদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রীবনানীতে ক্লাব নটরডেমিয়ান্সের বিশেষ স্বাস্থ্য সেমিনারদাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরব না: জামায়াত আমির
বিজ্ঞাপন

মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার ঘটনায় ২৮ নাগরিকের নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম
মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার ঘটনায় ২৮ নাগরিকের নিন্দা

২৮ নাগরিকের মতে, রাষ্ট্রীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া কোনো ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা কি না, তা নির্ধারণের এখতিয়ার রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট স্বীকৃতি যাচাই-বাছাই করতে পারে। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠন নিজ উদ্যোগে কারও মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নির্ধারণ বা সেই পরিচয়ের ভিত্তিতে তার দাফনে বাধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল জানিয়ে তারা বলেন, দলটির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আদালতের বিচারে প্রমাণিত হয়েছে। এসব ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের পরও কোনো মৃত ব্যক্তির জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়।

তাদের ভাষ্য, মানিক পশারীর সঙ্গে সংঘটিত কর্মকাণ্ড ফৌজদারি অপরাধের শামিল হতে পারে। কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক অবস্থান বা অতীতের ভূমিকার কারণে তার জানাজা ও দাফনে বাধা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মৃত ব্যক্তির যথাযথ মর্যাদায় সৎকার করা ইসলামসহ সব ধর্মেরই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা জানিয়ে বিবৃতিদাতারা বলেন, সেই শিক্ষাকে উপেক্ষা করে মানিক পশারীর প্রতি যে আচরণ করা হয়েছে, তার নিন্দা জানানোর ভাষা জানা নেই।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে উপযুক্ত এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন-

১. অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, মানবাধিকার কর্মী ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন

২. খুশী কবির, সমন্বয়কারী, নিজেরা করি

৩. ড. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক, টিআইবি

৪. অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

৫. শাহীন আনাম, নির্বাহী পরিচালক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন

৬. রাশেদা কে চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক, গণস্বাক্ষরতা অভিযান

৭. শহিদুল আলম, আলোকচিত্রী

৮. শামসুল হুদা, নির্বাহী পরিচালক, এএলআরডি

৯. ড. সামিনা লুৎফা, অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১০. ড. সুমাইয়া খায়ের, অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১১. ড. তানজীমউদ্দিন খান, অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১২. ড. জোবাইদা নাসরীন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১৩. রোবায়েত ফেরদৌস, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১৪. ড. স্বপন আদনান, ভিজিটিং প্রফেসর, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স

১৫. ড. নোভা আহমেদ, অধ্যাপক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়

১৬. রেহনুমা আহমেদ, লেখক ও গবেষক

১৭. অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

১৮. অ্যাডভোকেট তবারক হোসেন, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

১৯. অ্যাডভোকেট সালমা আলী, নির্বাহী পরিচালক, বি এন ডব্লিউ এল এ

২০. মো. নুর খান, মানবাধিকারকর্মী

২১. পাভেল পার্থ, লেখক ও গবেষক

২২. রোজিনা বেগম, গবেষক ও অধিকারকর্মী

২৩. জাকির হোসেন, প্রধান নির্বাহী, নাগরিক উদ্যোগ

২৪. অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, প্রধান নির্বাহী, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন

২৫. সাঈদ আহমেদ, মানবাধিকারকর্মী

২৬. দীপায়ন খীসা, মানবাধিকারকর্মী

২৭. ড. হানা শামস আহমেদ, অধিকারকর্মী

২৮. মুক্তাশ্রী চাকমা, অধিকারকর্মী

জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...