গণঅভ্যুত্থানের পরও রাজনীতিতে সহিংসতার অবসান হয়নি: ইফতেখারুজ্জামান

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী মনোনয়ন বাণিজ্য এবং নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মনোনয়ন বাণিজ্যসংক্রান্ত তথ্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কোনো কোনো দলীয় প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তৃণমূল পর্যায়েও একজন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশ নিতে প্রায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া দলগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাবের সঙ্গে বাস্তব ব্যয়ের অসামঞ্জস্যের বিষয়টি উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অর্থের উৎস এবং কারা অর্থায়ন করছেন, তা জানার সুযোগ খুবই সীমিত। অধিকাংশ লেনদেন অপ্রকাশ্যে হওয়ায় অর্থের বৈধতা ও প্রকৃত উৎস যাচাই করা কঠিন। রাজনৈতিক দল পরিচালনায় বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়। তাই অর্থ সংগ্রহ বন্ধ করা নয়, বরং অর্থের উৎস ও সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং বৈধতার আওতায় আনা জরুরি।’
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম পরিচালনায় অর্থের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বৈধভাবে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ জন্য নির্বাচন কমিশন, আইনপ্রণেতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে প্রয়োজনীয় আইন সংস্কার বা নতুন আইন প্রণয়ন করা দরকার। রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থায়নের পুরো প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছতার আওতায় আনতে হবে।’

