বোয়িং–এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না—সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্রটি আরও জানায়, বৈঠকে বিমানবন্দরের কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং কেনাকাটার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে গত মার্চ পর্যন্ত বিমানবন্দরের কার্যক্রমের কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে এবং কী কী কেনাকাটা করা হয়েছে, তার বিস্তারিত প্রতিবেদন পরবর্তী সময়ে কমিটির কাছে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।
বিমানবন্দরের ট্রলি সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে ট্রলির সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান হবে। এ ছাড়া বিমানবন্দরে জনবল নিয়োগ ও কর্মকর্তাদের পদায়নের বিষয়েও কথা হয়েছে। যাতে বলা হয়, দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তাদের কোনো ট্যাগ দিয়ে সরিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে বিমানবন্দরের কারিগরি পদগুলোতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
বৈঠকের পর সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন সিভিল অ্যাভিয়েশন, বিমান ও পর্যটনের কেনাকাটা, বদলি, নিয়োগ এবং বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকিতে পাঁচ সদস্যের সাবকমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদগুলো যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে দ্রুত পূরণ এবং গত আট মাসে সিভিল অ্যাভিয়েশনের কার্যক্রম বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও কেনাকাটার বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে আকস্মিক পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

