হাজিরা খাতায় অগ্রিম স্বাক্ষর অনুপস্থিত মাদ্রাসা শিক্ষকের, সুপারকে শোকজ

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এ মাদ্রাসার কোনো ক্লাসেই ছাত্র-ছাত্রীদের হাজিরা নেওয়া হয় না এবং ছাত্র ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রাপ্তির ব্যাপারে কোনো তথ্য নেই মাদ্রাসাটির অফিস নথিতে।
মাদ্রাসার নামে কাগজপত্রে উল্লেখ থাকা ১২৩ শতাংশ জমির মধ্যে ৬৩ শতাংশ জমির নামজারি নেই। নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং প্রাতিষ্ঠানিক তদারকি না থাকায় শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা বিমুখ হচ্ছে বলে মন্তব্য করা হয় পরিদর্শন প্রতিবেদনে।
অধিদপ্তর সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার আশংকাজনকভাবে কমে যাওয়া, ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসে হাজিরা না নেওয়া, মাদ্রাসার নামে কাগজপত্রে উল্লেখ থাকা ১২৩ শতাংশ জমির মধ্যে ৬৩ শতাংশ জমির নামজারি না থাকা, শিক্ষকদের ছুটি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, অনুপস্থিত শিক্ষক এর ‘শিক্ষক হাজিরা খাতা’য় অগ্রীম স্বাক্ষর করা প্রাতিষ্ঠানিক শৃংখলা ভঙ্গের শামিল। প্রাতিষ্ঠানিক শৃংখলা ভঙ্গের বিষয়গুলো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ এর বিধি ১৮(২)ক ধারামতে প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘সাময়িক বরখাস্ত’ এর মত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এসব অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে সুপারকে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র উপস্থাপনের করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃংখলা ভঙ্গের জন্য ছুটি ছাড়া মাদ্রাসায় অনুপস্থিত দুইজন শিক্ষকসহ সুপারের বিরুদ্ধে কেন বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ ব্যাখ্যা করে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।

