পুলিশের ওপর হামলার মামলায় বগাসহ ১৩ আসামি কারাগারে

বগার বিরুদ্ধে ২৩ মামলা
সম্প্রতি চট্টগ্রামের বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় আলোচনায় আসেন ওয়াকিল হোসেন বগা। গত ১৮ অক্টোবর হত্যা-হুমকি, চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরের অভিযোগে করা একটি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তিনি। আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর থেকে তিনি চট্টগ্রাম কারাগারে রয়েছেন।
গত ৬ অক্টোবর হত্যা-হুমকি, চাঁদাবাজি, বসতঘরে ঢুকে ভাঙচুর ও ক্ষতিসাধনের অভিযোগে খুলশী থানায় মামলা করেন নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির বাসিন্দা শেখ মুহাম্মদ আরিফ। মামলায় বগাসহ ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
পুলিশের অপরাধসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরক ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় বগার বিরুদ্ধে ২৩টি মামলা রয়েছে।
পুলিশের ওপর হামলার পর আলোচনায়
চলতি বছরের জুনে সরকারি জায়গা দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে প্রকাশ্যে গোলাগুলির ঘটনায় আলোচনায় আসেন বগা। ওই ঘটনার পর ৮ জুন তাঁকে স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় তাঁর নাম এলেও একাধিক অভিযান চালিয়েও তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
গত সেপ্টেম্বরে পাহাড়তলী কলেজের এক শিক্ষককে তুলে নিয়ে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় বগাকে প্রধান আসামি করা হয়। ওই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালালে তাঁর অনুসারীরা সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যে বাসার ভেতরের একটি সুড়ঙ্গপথ দিয়ে বগা পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে খুলশী থানার ওয়্যারলেস কলোনির তালতলা এলাকায় হৃদয় নামের এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত কিশোরেরা একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে জানা গেছে। ওই গ্যাং পরিচালনায় বগার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায়ও তাঁকে গ্রেপ্তারে একাধিক অভিযান চালায় পুলিশ।

