সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন

নেহালপুর ইউপি নির্বাচন: তফসিলের আগেই মাঠ ও ফেসবুকে সরব প্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৬ এএম
নেহালপুর ইউপি নির্বাচন: তফসিলের আগেই মাঠ ও ফেসবুকে সরব প্রার্থীরা

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নবগঠিত নেহালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনই জমে উঠেছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ বা তফসিল ঘোষণা না হলেও থেমে নেই সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। দিনরাত তারা চষে বেড়াচ্ছেন মাঠঘাট।

পাড়া-মহল্লা, হাটবাজার কিংবা সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান—সবখানেই এখন সম্ভাব্য প্রার্থীদের দেখা মিলছে। মাঠের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও চলছে তাদের প্রচারণার লড়াই। নিজেদের ছবি, ভিডিও, নানা ধরনের শুভেচ্ছাবার্তা এবং উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতির পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন প্রার্থীরা। তাদের পক্ষে জোর প্রচারণায় নেমেছেন সমর্থকেরাও। প্রার্থীর অতীত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সেবামূলক ভূমিকা তুলে ধরার পাশাপাশি কাউকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে পক্ষে-বিপক্ষের আলোচনা ও সমালোচনা।

স্থানীয় ভোটারদের আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নাগরিক সেবা পাওয়ার নিশ্চয়তা। এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, যিনি নির্বাচিত হবেন তাকে হতে হবে সহজলভ্য ও আন্তরিক। ব্যক্তিগত স্বার্থের বাইরে গিয়ে পুরো ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়নে যিনি কাজ করবেন এবং সরকারি সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে যেন কোনো ভোগান্তির মুখে পড়তে না হয়, সেই নিশ্চয়তা চান তারা। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন এমন কাউকে চাইছেন ভোটাররা।

যোগ্যতা ও ভাবমূর্তিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন ভোটাররা

ভোটারদের মতে, একজন যোগ্য চেয়ারম্যানের সততা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধ থাকা অত্যন্ত জরুরি। সংকটের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সবার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা প্রার্থীর বড় গুণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এর বাইরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছ বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার যোগ্যতাই মূলত কোনো প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ করবে।

নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা না থাকলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থিত প্রার্থী থাকার সম্ভাবনা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে তফসিল ঘোষণার পরই বিষয়টি চূড়ান্তভাবে পরিষ্কার হবে যে কারা দলের সমর্থন নিয়ে আসছেন আর কারা স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন। অবশ্য ভোটারদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় পরিচয়ের চেয়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাই বেশি কাজে দেবে। মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকা এবং সেবামূলক অতীত কর্মকাণ্ডই চূড়ান্তভাবে ব্যালটে প্রভাব ফেলবে।

নবগঠিত এই ইউনিয়নের প্রথম নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এখন পর্যন্ত অন্তত সাতজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম লোকমুখে শোনা যাচ্ছে। ইউনিয়নের প্রথম অভিভাবক হিসেবে কার হাতে দায়িত্ব যাবে, তা নিয়েই এখন চারদিকে চলছে জোর জল্পনা-কল্পনা।

আঞ্চলিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...