ঢাকা-যশোর প্রভাতী ট্রেনের দাবিতে এক মাসের আল্টিমেটাম

যশোর থেকে ঢাকাগামী প্রভাতী ট্রেন চালুসহ ছয় দফা দাবিতে আবারও আন্দোলনে নামছেন যশোরবাসী। দাবি আদায়ে এক মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি। এ সময়ের মধ্যে প্রভাতী ট্রেন চালুর ঘোষণা না এলে যশোর জংশন অবরোধ করে রেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে যশোর কালেক্টরেট চত্বরে প্রতীকী রেল অবরোধ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। কর্মসূচি থেকে নেতারা বলেন, রেল যোগাযোগ উন্নয়নের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে আসছেন। এক মাসের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে প্রতীকী অবরোধের পরিবর্তে সরাসরি যশোর জংশন অবরোধ করা হবে।
বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় হকি কোচ কাওসার আলীর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন প্রবীণ রাজনীতিক হাসিনুর রহমান, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সিপিবি যশোরের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মজনু, শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বুলু, রেল আন্দোলনের নেতা আমিনুর রহমান হিরু ও তসলিমুর রহমান, পূজা উদযাপন পরিষদ ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নূর ইসলাম, বাম নেতা আহসান উল্লাহ ময়না, রেল আন্দোলনের নেতা সাঈদ আহমেদ নাসির শেফার্ড, কোটচাঁদপুরের আন্দোলনের নেতা মনিরুজ্জামান ও নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সদস্যসচিব প্রকৌশলী রুহুল আমিন বলেন, শুরু থেকেই যশোরবাসী ভোরে যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে একটি প্রভাতী ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে আসছেন। এতে সাধারণ মানুষ সকালে নিজ বাড়ি থেকে রওনা দিয়ে ঢাকায় পৌঁছে অফিস বা প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে পারবেন। পাশাপাশি সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে যশোরের উদ্দেশে একটি ফিরতি ট্রেন চালু করা হলে কাজ শেষে মানুষ নিজ বাড়িতে ফিরতে পারবেন।
তিনি বলেন, বেনাপোল, যশোর, মোবারকগঞ্জ ও কোটচাঁদপুর থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী ঢাকার উদ্দেশে যাতায়াত করেন। এসব রুটে ট্রেনের ট্রিপ বাড়ানো হলে বাংলাদেশ রেলওয়ে তথা সরকার আর্থিকভাবে লাভবান হবে। রেল যোগাযোগ নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব হওয়ার পাশাপাশি এর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও সড়কপথের তুলনায় অনেক কম।

