মুলাদীতে মধ্যরাত পর্যন্ত বোমা বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্কে ৩ গ্রাম

সফিউল্লাহ ঘরামী আরও বলেন, ওই রাতেই উত্তর পাতারচর ও বড় লক্ষ্মীপুর গ্রামে ১৫ থেকে ২০টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। রাতের আঁধারে এসব বিস্ফোরণে শিশু ও বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভয়ে অনেকে রাতে ঘর থেকে বের হতেও সাহস পাচ্ছেন না।
উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের আনসারুল্লাহ জানান, সফিপুর ইউনিয়নে একাধিক দল হাতবোমা তৈরি করে বলে তাঁদের ধারণা। পুরোনো ও অভিজ্ঞ কারিগরেরা নতুনদের প্রশিক্ষণ দিতে হাতবোমা তৈরি করে বিস্ফোরণের মাধ্যমে পরীক্ষা করতে পারেন। গত ২৩ অক্টোবর রাতে উত্তর বালিয়াতলী এলাকায় হাতবোমা তৈরির সময় ছয় যুবক আহত হন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁর ধারণা, এক পক্ষের বিস্ফোরণের পর এলাকায় আধিপত্য ধরে রাখতে অন্য পক্ষও বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ‘গতকাল রাতের বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে কয়েকজন যুবক আহত হওয়ার খবর পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। শিগগিরই সফিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হবে।’

