রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
খিলগাঁও থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারবাবা-মা ও কিশোরী বোনসহ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার১৩টি সিটি করপোরেশনে ই-রিকশা নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু কাল: শাহে আলমরাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটেভয়াবহ চোটে মাঠেই জ্ঞান হারালেন নাইজেরিয়ার ফুটবলারসাফের আগে বাংলাদেশের জন্য দুঃসংবাদজীবননগরে বসতবাড়ি থেকে ১১৮ বোতল উইন-করেক্স সিরাপ জব্দ, অভিযুক্ত পলাতকটাঙ্গাইলের ৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কেউবিধিমালা নিয়ে অটোরিকশা মালিকদের আতঙ্কিত না হতে বললেন প্রতিমন্ত্রীর১৩ বছরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৭৪৬, আহত ৪৬ হাজারের বেশি: টিআইবি
বিজ্ঞাপন

রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড, দুই কনস্টেবলের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড, দুই কনস্টেবলের যাবজ্জীবন

আসামী আশেক এলাহী ও হাসানের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন শামীম বলেন, আশেক এলাহী ছয় বছর ধরে কারান্তরীণ আছেন। আর হাসান দেড় বছরের মতো কারাভোগ করেছিলেন। তাঁদেরকে বিচারক তথ্য লোপাটের অভিযোগে সাত বছরের দণ্ড দিয়েছেন। হাসান আদালতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করবেন বলে তিনি আশাবাদী। পাশাপাশি তাঁরা উচ্চ আদালতে রায়ের বিষয়ে আপিল করবেন বলে জানান তিনি।

এদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত রায়হানের মা সালমা বেগম। তিনি পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরদিন রাতেই কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার। এ ঘটনার পর ওই ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই আকবরসহ ৪ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত এবং তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর ১৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত ভার পিবিআইর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

১৫ অক্টোবর কবর থেকে রায়হানের লাশ উত্তোলন করে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুনরায় ময়নাতদন্ত করা হয়। দুই দফা ময়নাতদন্তেই রায়হানের দেহে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৪টি আঘাত ছিল গুরুতর। ২০ অক্টোবর তথ্য গোপন ও আকবরকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে ফাঁড়ির টু-আইসি এসআই হাসান উদ্দিনকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

প্রধান অভিযুক্ত আকবর ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল। পরে তাঁকে একই বছরের ৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন। ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট আকবর হাইকোর্ট থেকে জামিন পান এবং ১০ আগস্ট কারাগার থেকে মুক্তি পান। পরে তাঁর জামিন স্থগিত হলেও তিনি নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ না করে পলাতক রয়েছেন।

২০২১ সালের ৫ মে আদালতে ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই। আসামীরা হলেন—প্রধান অভিযুক্ত বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহী (৪৩), কনস্টেবল মো. হারুন অর রশিদ (৩২), টিটু চন্দ্র দাস (৩৮), ফাঁড়ির ‘টু-আইসি’ পদে থাকা এসআই মো. হাসান উদ্দিন (৩২) ও এসআই আকবরের আত্মীয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমান (৩২)।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...