রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়আজকের নামাজের সময়সূচি: ০১ নভেম্বর ২০২৬সাজেকে আবারও অবরোধ ঘোষণালংমার্চে সীমিত অংশগ্রহণ: জোটে থেকেও এনসিপির নিজের রাজনীতিতে জোরকল্যাণপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মশাল মিছিলসন্ধ্যার পর অকারণে বাইরে ঘুরলে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি ডিআইজিরতফসিলের আগেই নেহালপুরে ভোটের হাওয়া: পাড়া-মহল্লা ছাপিয়ে ফেসবুকে সরব সম্ভাব্য প্রার্থীরাসাত দফা মেনে নিলে, এক দফার প্রয়োজন হবে না: সমাপনী বক্তব্যে জামায়াত আমিরযশোরে অস্ট্রেলীয় নাগরিকের ব্যাগ ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগে যুবক আটকনেহালপুর ইউপি নির্বাচন: তফসিলের আগেই মাঠ ও ফেসবুকে সরব প্রার্থীরা
বিজ্ঞাপন

বৈরী আবহাওয়ায় দুবলার চরে শুঁটকি উৎপাদন ব্যাহত, দুশ্চিন্তায় জেলেরা

নিজস্ব প্রতিবেদক৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম
বৈরী আবহাওয়ায় দুবলার চরে শুঁটকি উৎপাদন ব্যাহত, দুশ্চিন্তায় জেলেরা

বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউ আর টানা বর্ষণে সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি মৌসুমের শুরুতেই হাজারো জেলের স্বপ্ন ফিকে হতে বসেছে। লঘুচাপের প্রভাবে সৃষ্ট বৈরী আবহাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে মাছ আহরণ ও শুঁটকি উৎপাদন। ফলে মহাজনদের কাছ থেকে দাদন ও ঋণ নেওয়া জেলেরা এখন বিনিয়োগ হারানো এবং ঋণ পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

জেলেরা জানান, প্রতিবছর অক্টোবরের শেষ দিক থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সুন্দরবনের দুবলার চর, আলোরকোল, মেহেরআলীসহ বিভিন্ন চরে মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরির কর্মযজ্ঞ চলে। এ মৌসুমে দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চল থেকে হাজার হাজার জেলে ও মৎস্যজীবী এসব চরে সমবেত হন। মৌসুম শুরুর আগেই তারা প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে চরে পৌঁছে অস্থায়ী বসতঘর, মাছ শুকানোর মাচা ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করেন। তবে এবার মৌসুমের শুরুতেই বৈরী আবহাওয়ায় তাদের সেই প্রস্তুতি ব্যাহত হচ্ছে।

ছবি: এশিয়া পোস্ট
ছবি: এশিয়া পোস্ট

বৃহস্পতিবার রাত থেকে দুবলার চর ও আশপাশের এলাকায় শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টি শুক্রবারও অব্যাহত থাকে। এতে অনেক জেলে নতুন ঘর ও শুঁটকি তৈরির স্থাপনা নির্মাণ করতে পারেননি। উত্তাল সাগরের কারণে অনেকেই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারেননি। কেউ কেউ উপকূলের কাছাকাছি মাছ ধরলেও রোদের অভাবে সেই মাছ শুকাতে পারছেন না। ফলে মৌসুমের শুরুতেই মাছ আহরণ ও শুঁটকি উৎপাদন কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

দুবলার চর জেলে পল্লীর সিও (ইনচার্জ) ফরেস্ট রেঞ্জার খলিলুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার রাত থেকে দুবলার চর এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে মৌসুমের শুরুতে আসা জেলেরা মাছ আহরণ ও বসবাসের জন্য নতুন ঘর তৈরিতে বাধার মুখে পড়েছেন। জেলেদের দুশ্চিন্তার বড় কারণ তাদের ঋণ ও বিনিয়োগ। মাছ আহরণ, শুঁটকি তৈরি এবং চরে বসবাসের খরচ মেটাতে অনেকেই মহাজনদের কাছ থেকে দাদন ও ধারদেনা নিয়ে এসেছেন। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ায় মাছ আহরণ ও মাছ শুকানোর কাজ ব্যাহত হওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে তাদের বিনিয়োগ। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আয় কমে যাওয়ার পাশাপাশি ঋণ পরিশোধেও সংকটে পড়তে পারেন তারা।

এদিকে শুঁটকি মৌসুমকে ঘিরে এবার ৮ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বন বিভাগ। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাছ আহরণ ও শুঁটকি উৎপাদন কমে গেলে রাজস্ব আদায়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...