গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

বাগেরহাটবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এই দাবি জনতার দাবি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আপনারা কি আমাদের সঙ্গে থাকবেন? সর্বশক্তি দিয়ে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলতে পারি, এ দাবি আদায় হবেই, ইনশাআল্লাহ।
আন্দোলন আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, সামনে এক দফা, দুই দফা কিংবা তিন দফা— যত দফাই আসুক, সবাই প্রস্তুত থাকবেন। ২০২৪ সালে এ দেশের মানুষ প্রমাণ করেছে, গুলি, বন্দুক ও কামান দিয়ে তাদের দমানো যাবে না। এ দেশের মানুষ মুক্তির পথ চিনে ফেলেছে। সেই পথ ধরেই আন্দোলন সফলতার লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নব্য ফ্যাসিবাদ থেকে দেশের মানুষকে মুক্ত করতে প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে লড়াই করা হবে।
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসুদ, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মশিউর রহমান, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোহাম্মদ রেজাউল করিম, এনসিপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার সোহেল, জামায়াত নেতা ইকবাল হোসেন, অ্যাডভোকেট মোস্তাইন বিল্লাহ, মাওলানা রুহুল আমিন খান এবং জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আহমেদ আব্দুল্লাহসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এর আগে সকাল থেকেই কাটাখালী গোলচত্বর এলাকায় লংমার্চকে স্বাগত জানাতে সড়কের দুই পাশে নারী-পুরুষ ও শিশুদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা নিয়ে নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হন। কাটাখালীতে পথসভা শেষে লংমার্চটি খুলনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

