দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

শেফালী আরও বলেন, ‘আমার খুব ইচ্ছা ছিল উচ্চ ডিগ্রি নেওয়ার, কিন্তু পারিনি। অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালীন স্বামীর বাড়ি যেতে হয়। তারপর সংসার আর সন্তানদের দিকে বেশি মনোনিবেশ করেছি। তাঁদের সফলতা আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। এই বয়সে এসে অনেকে পারবে কি না জানি না, কিন্তু আমি পেরেছি। বয়স শুধু একটা সংখ্যা মাত্র। আমি সামনে পড়াশোনা চালিয়ে যাব, এবার অনার্সে ভর্তি হব।’
শেফালীর স্বামী মোকছেদুল আলম বলেন, ‘আমরা সব সময় পাশে থেকেছি। বলেছি, ভালো ফলাফল লাগবে না, পাস করে আসো। এতে সমাজের জন্যও কিছু করা সম্ভব। সংসারের দৈনন্দিন কাজে সহযোগিতা করেছি, যাতে পড়াশোনা করতে পারে।’
শেফালীর বড় ছেলে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি ভাগ্যবান সন্তানদের মধ্যে একজন যে তাঁর মায়ের সাফল্যে এত আনন্দিত। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশের মতো নয়।’
সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

