সিংগাইরে জমি জরিপে ঘুষ-বাণিজ্য, কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে গেছেন সার্ভেয়াররা

ফতেহপুর গ্রামের রুহুল আমিন অভিযোগ করেন, জমির দলিল ও দখল তাঁর নামে থাকলেও প্রায় ছয় শতাংশ জমি পাশের আরেক ব্যক্তির নামে রেকর্ড করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে এ কাজ করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। রেকর্ড সংশোধনের জন্য বিভিন্ন অফিস-আদালতে সংশ্লিষ্টদের খুঁজছেন তিনি। তবে সার্ভেয়াররা ইতিমধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।
স্থানীয় লতিফ নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, জমির জরিপ ও রেকর্ডের কাজ করাতে সংশ্লিষ্টদের হাজার হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। টাকা দিতে পারলে জমি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, আর টাকা দিতে না পারলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও জমি রেকর্ডভুক্ত হচ্ছে না। অর্থের বিনিময়ে অন্যের জমি আরেকজনের নামে রেকর্ড করার অভিযোগও রয়েছে বলে জানান তিনি।
পলি নামের এক জমির মালিকও জরিপের কাজে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। জরিপের কাজ শেষ না করেই সার্ভেয়াররা এলাকা ছেড়ে যাওয়ায় যেসব জমির জরিপ ও রেকর্ডের কাজ অসমাপ্ত রয়েছে, সেসব জমির মালিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

