মুলাদীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোনে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কের পর প্রায় এক বছর আগে ডিক্রীরচর গ্রামের সোহেল কাজীর মেয়ে সোহানাকে বিয়ে করেন মহিম। বিয়ের পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। রাজমিস্ত্রির সহকারী ও ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালানোসহ বিভিন্ন কাজ করে সংসার চালাতেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, মোবাইল ফোনে টিকটক ব্যবহার ও অন্যদের সঙ্গে কথা বলা নিয়ে স্ত্রীর প্রতি মহিমের আপত্তি ছিল। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। আজ সকালে কাজে বের হওয়ার আগে ওই দম্পতির মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরপর মহিম কাজে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করেন। পরে সকাল ১০টার দিকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

