সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২২ দিনবরগুনায় বিএনপি নেতার সদস্য পদ স্থগিতটিএমজিবির নতুন সভাপতি মাসুদ রুমী, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিতব্রাজিল-উরুগুয়েকে আতিথেয়তা দিয়ে ভারতের ক্ষতি ১১২ কোটিমাদকাসক্ত ছেলের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মা, প্রাণ বাঁচাতে ঘুরছেন প্রশাসনের দ্বারে দ্বারেভার্চুয়াল শুনানিতে তিন সপ্তাহে জামিন পেল ৫২ শিশু‘মুক্তিযুদ্ধের পর রক্ষীবাহিনীকে আওয়ামী লীগ নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছিল’মজুরি বোর্ড গঠনের পরও অশান্ত শিল্পাঞ্চল, বন্ধ ৭০০ পোশাক কারখানাবিয়ের দাবিতে নয়, মানসিক সমস্যায় বিদ্যুতের টাওয়ারে উঠেছিলেন তুহিনঅনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত, অতিরিক্ত সচিবের দণ্ড
বিজ্ঞাপন

টাকা দিয়েও মেলেনি চেয়ারম্যানের পদ, সচিবসহ ৬ জনের নাম ফাঁস

নিজস্ব প্রতিবেদক০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম
টাকা দিয়েও মেলেনি চেয়ারম্যানের পদ, সচিবসহ ৬ জনের নাম ফাঁস

হোসনেয়ারার অভিযোগ অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোকছেদুল ইসলাম নিয়েছেন ৫০, সদ্য বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মাসুদ ৫০ হাজার, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোরসালিন ২০ হাজার, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলিম ১০ হাজার, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জলিল ১০ হাজার এবং ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোসলেমা ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন।

এ বিষয়ে হোসনেয়ারা বলেন, এখন পদও নাই, টাকাও নাই। এ অবস্থায় বিভিন্নজনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। কিন্তু কোনো সুরাহা হচ্ছে না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সালিশি বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে রাতের আধারে ইউনিয়ন পরিষদের রেজুলেশন বই সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন সচিব মোকছেদুল ইসলাম। এ কাজে গ্রাম পুলিশকে ব্যবহার করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) মানিক বলেন, সচিব তাকে চাবি দিয়ে রেজুলেশন বই নিয়ে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারের কাছে যেতে বলেন।

এদিকে, ওই রাতেই গোপনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান-২ জালাল উদ্দীনকে চেয়ারম্যান করার বিষয়ে রেজুলেশন তৈরি করে রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে জালাল উদ্দীন বলেন, নিয়ম অনুযায়ীই আমি চেয়ারম্যান হচ্ছি। এক নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান আলালের বিরুদ্ধে ভিডব্লিউবি কর্মসূচির উপকারভোগীদের সঞ্চয়ের টাকা নিজের কাছে রাখার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হোসনেয়ারার বিরুদ্ধেও ইউপি সচিবসহ বিভিন্নজনকে দেড় লাখ টাকা দিয়ে অনিয়ম করার অভিযোগ রয়েছে।

ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, সচিব মোকছেদুল ইসলাম কামারপুকুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তার ছেলের নামে প্রতিবন্ধী ভাতা করাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে তাকে একসময় জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বদলি করা হয়েছিল। পরে তিনি আবার নিজ ইউনিয়নে কর্মরত হন বলে দাবি করেন আমিনুল। এ ছাড়া অতিরিক্ত ফি আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।

এ বিষয়ে ইউপি সচিব মোকছেদুল ইসলামের কাছে অভিযোগ এর বিষয় জানতে চাইলে তিনি এশিয়া পোস্টের প্রতিনিধিকে বলেন, এটি মিথ্যা ঘটনা, আমি এখন চাল বিতরণ করতেছি আপনি দুপুর ২টার পর ফোন দিয়েন।

সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার বলেন, চৌকিদার আমার নাম কেন বলেছে, আমি কি তাকে আসতে বলেছি, আমি এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করব। ইউনিয়ন পরিষদের কোনো বিষয়েই আমার মাথাব্যথা নেই। কোনো ঘটনার সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে কেউ কিছু বললে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহা ফাতেহা তাকমিলা এশিয়া পোস্টকে বলেন, এ ধরনের কোন লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি তবে বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি শুনতে পাচ্ছি তবে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তিনি কোনোভাবেই এমন কাজে জড়িত হতে পারেন না।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...