প্রতিবন্ধীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান

সালমা মাহবুব আরও বলেন, প্রতিবন্ধী ভোটারদের সহায়তায় প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক দল থাকা জরুরি। এ জন্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। নারী প্রতিবন্ধী ভোটারদের প্রয়োজন বিবেচনায় নারী স্বেচ্ছাসেবকও রাখতে হবে।
বি-স্ক্যানের প্রোগ্রাম পরিচালক ইফতেখার মাহমুদ বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও রাষ্ট্রের নাগরিক। ভোটাধিকারসহ সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার তাঁদের রয়েছে। এসব অধিকার নিশ্চিত করতে তাঁদের সংগঠিত হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিসরে অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি।
ইফতেখার মাহমুদ আরও বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অধিকারের কথা বলে আসছেন। তবে অধিকার আদায়ে সংগঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। সংগঠন গঠন ও পরিচালনাও তাঁদের জন্য চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক পরিসরে তাঁদের অংশগ্রহণের প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে তা দূর করতে হবে। তাঁদের দয়া বা সহানুভূতির বিষয় হিসেবে নয়, অধিকারসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে দেখতে হবে।
কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মিডিয়া অ্যানালিস্ট ও গবেষক নাজিয়া আফরিন মোনামী এবং দৈনিক ইত্তেফাকের মহিলা অঙ্গন সম্পাদক রাবেয়া বেবী। সমাপনী বক্তব্য দেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডেলিগেট সিমোনা কামোলিনি। এ সময় ইপিডির প্রকল্প পরিচালক আনাস্তাসিয়া এস উইবাওয়া, প্রোগ্রাম ম্যানেজার রোকসানা হক এবং বি-স্ক্যানের প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মাহফুজুর রহমান রাকীবসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বি-স্ক্যান মনে করে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে গণমাধ্যমে দয়া বা সহানুভূতির বদলে মানবাধিকার, সমতা ও নাগরিক অধিকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা জরুরি। দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংবাদিকতা নির্বাচনে তাঁদের অংশগ্রহণ এবং মর্যাদাপূর্ণ উপস্থাপনা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখতে পারে।

