পাঁচ বছর পর শুক্রবার দেশে ফেরার কথা ছিল, আবুধাবিতে প্রাণ গেল ছুরিকাঘাতে

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রানী বালা দেবী বলেন, ‘আমার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস ছিল বড় ছেলে পুলক। ছোট ছেলে প্রতিবন্ধী। পরিবারের হাল ধরেছিল সে। এখন পরিবারকে কে দেখবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই। সরকারের কাছে অনুরোধ, আমার ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করুন।’
পুলকের ছোট ভাই অলক নাথও একই অভিযোগ করে বলেন, তাঁর ভাইয়ের কাছে মিসরীয় এক রুমমেট ২০ দিরহাম চেয়েছিলেন। টাকা না দেওয়ায় তাঁর বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে পুলকের মৃত্যু হয়।
পুলকের বোন চুমকি দেবী বলেন, ‘আগামী শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দেশে আসার কথা ছিল ভাইয়ের। এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হবে আমার ভাই, তা কখনো ভাবিনি। পুরো পরিবারের স্বপ্নভঙ্গ হয়ে গেছে।’
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, দূতাবাসের মাধ্যমে মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করা যাবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের কোনো সহযোগিতা প্রয়োজন হলে তা করা হবে।

