মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের, মাউশির জরুরি নির্দেশনানিষিদ্ধ পদার্থ সেবনের শাস্তি পেলেন আয়ারল্যান্ডের নারী ক্রিকেটারএকটি বেল্টেই বদলে যেতে পারে লুকবে টার্মিনালে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের পিএসএমাদারীপুরে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দুই নার্সকে অব্যাহতি১০ দিন পর বাড়ি ফিরলেন অপহৃত বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র রিদয়নশ্রমিক নির্যাতনের ভুয়া ছবি ছড়ানোর অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার৪০০ কোটির সিনেমা ‘কিং’, মুক্তির আগেই আয় ৬৬৫ কোটি রুপিপাবনায় ছাত্রীনিবাস থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারযুবককে তুলে নিয়ে হত্যা, চার দিন পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
বিজ্ঞাপন

লক্ষ্মীপুরে লাল শাপলার সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫২ পিএম
লক্ষ্মীপুরে লাল শাপলার সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা

ভোরের আলো ফুটতেই জলাশয়জুড়ে ফুটে ওঠে হাজারো লাল শাপলা। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে লাল পাপড়ি মেলে প্রকৃতিতে ছড়িয়ে দেয় অপরূপ সৌন্দর্য। চারদিকে সবুজের সমারোহ, আর তার মাঝে লাল শাপলার বর্ণিল আভা এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই ছুটে আসছেন দূরদূরান্তের প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ। কেউ আসছেন পরিবার নিয়ে, আবার কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে। ফুলের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি ছবি তুলে মুহূর্তগুলোকে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখছেন দর্শনার্থীরা।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চর মনসা গ্রামে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে তোলা ‘সাহেব বাড়ি শাপলা বাগান’ এখন স্থানীয়দের কাছে বিনোদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ভবানীগঞ্জ চৌরাস্তা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার পূর্বে ভবানীগঞ্জ-কুশাখালী-নোয়াখালী সড়কের পাশেই বাগানটির অবস্থান।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এই বাগান। প্রায় তিন বছর আগে নিজের ১৪৩ শতাংশ জমিতে জলাশয় খনন করে বরিশালের উজিরপুর থেকে লাল শাপলার কন্দ এনে রোপণ করেন তিনি। শুরুতে কেবল শখের বশে উদ্যোগটি নিলেও ধীরে ধীরে তা ভ্রমণপিপাসু মানুষের প্রিয় স্থানে পরিণত হয়েছে।

বাগানের শাপলাগুলো ভোর থেকেই ফুটতে শুরু করে। বিশেষ করে সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ফুলের সৌন্দর্য সবচেয়ে ভালো উপভোগ করা যায়। এই সময়ে দর্শনার্থীদের উপস্থিতিও থাকে সবচেয়ে বেশি। দর্শনার্থীদের বসার জন্য বাগানের চারপাশে বেঞ্চসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে রকমারি খাবারের স্টল। ফলে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর পাশাপাশি পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়ানোরও চমৎকার সুযোগ পাচ্ছেন তারা।

তবে এই উদ্যোগের পেছনে কেবল সৌন্দর্যবর্ধন বা বিনোদনের চিন্তা নয়, রয়েছে সামাজিক দায়বদ্ধতার ভাবনাও। এলাকার তরুণদের অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি ও মাদকের হাত থেকে দূরে রেখে প্রকৃতির প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং মানুষের মধ্যে সুন্দর রুচিবোধ তৈরি করাও উদ্যোক্তার অন্যতম উদ্দেশ্য। তিনি চান, মানুষ অবসর সময়ে কৃত্রিম পরিবেশ ছেড়ে প্রকৃতির কাছে আসুক এবং নির্মল পরিবেশে সময় কাটাক।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ ইস্রাফিল বলেন, শাপলা বাগানটি এই এলাকায় অত্যন্ত মনোরম একটি পরিবেশ তৈরি করেছে। প্রতিদিন সকালেই অনেক নারী-পুরুষ এখানে ঘুরতে আসেন। আশপাশে এমন সুন্দর পরিবেশ না থাকায় দূরদূরান্ত থেকেও মানুষ এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...