মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের নেপথ্যে ডিসেম্বরকে টার্গেট করে প্রস্তুতিমেলবোর্নে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনএমপিপুত্র মিন্টুর সার ডিলারশিপ বাতিল চেয়ে আবেদনচট্টগ্রামে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ‘যাপিত জীবন’ আসছে ২০ নভেম্বরকয়েক দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষা ক্যাডারদের স্মারকলিপিবাংলাদেশ ম্যাচের আগেই ‘গোপন খবর’ পেয়ে যান এই ক্রিকেটারভুয়া কাবিননামায় যৌতুকের মামলা, বাদী নারীর ৭ দিনের কারাদণ্ডপরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই রাসায়নিক দিয়ে মাজন তৈরি, ২ কারখানাকে জরিমানাবাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ পর্যবেক্ষণ করছে ভারত: জয়সওয়াল
বিজ্ঞাপন

মাকে হত্যার দু’মাস পর তাঁর কবরের পাশেই শায়িত ঘাতক ছেলে

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম
মাকে হত্যার দু’মাস পর তাঁর কবরের পাশেই শায়িত ঘাতক ছেলে

জানা গেছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২৮ অক্টোবর হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন মামুন। তাঁকে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তর করা হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার রাত ৮টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশি পাহারায় মামুনের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। জানাজার আগে বাজে দুর্গাপুর আঞ্জুমানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। মায়ের হত্যাকারী হলেও মামুনকে সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দেওয়ার ঘোষণা দেন তাঁর বাবা আলতাফ হোসেন ও বড় ভাই প্রভাষক মঞ্জুর হাসান। পরে জানাজায় শত শত মানুষ অংশ নেন। পারিবারিক সিদ্ধান্তে মায়ের কবরের পাশেই দাফন করা হয় মামুনকে।

মামুনের বাবা আলতাফ হোসেন বলেন, মামুনের দুটি বিয়ে হয়েছিল। প্রায় আট-নয় বছর আগে সদর উপজেলার ভেকুটিয়া গ্রামে বিয়ে করেন তিনি। দাম্পত্য কলহের জেরে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। পরে ঝিকরগাছার অমৃতবাজার গ্রামে বিয়ে করেন মামুন। প্রায় ছয় বছর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গেও তাঁর বিচ্ছেদ হয়। দুই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য মামুন তাঁর মাকে দায়ী করতেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই কথা-কাটাকাটি হতো।

আলতাফ হোসেন বলেন, পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁকে মানসিক হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসাও করানো হয়।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...