রিয়ালের জয় ছাপিয়ে আলোচনায় এমবাপ্পের পেনাল্টি বিতর্ক

মার্তিন বলেন, ‘আমি ওর গায়ে সামান্য হাত রেখেছিলাম। কিন্তু এ ধরনের ঘটনাকে পেনাল্টি হিসেবে দেওয়া উচিত নয়।’
রেফারির ব্যাখ্যা তুলে ধরে মার্তিন বলেন, ‘রেফারি আমাদের বলেছিলেন, তিনি সংস্পর্শ দেখেছেন এবং ভিএআর প্রযুক্তিও তাঁকে নিশ্চিত করেছে যে সংস্পর্শ হয়েছিল।’
এমবাপ্পের সঙ্গে সংস্পর্শ ঘটেছিল, তা নিয়ে দ্বিমত নেই মার্তিনের। তবে সেই স্পর্শ পেনাল্টি দেওয়ার মতো অপরাধ ছিল কি না, সেটিই তাঁর প্রশ্ন। রেসিংয়ের কোচ হোসে আলবার্তোও একই অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর মতে, এমবাপ্পেকে ধাক্কা দেওয়া কিংবা ধরে রাখার ঘটনা ঘটেনি। তাই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না।
অন্যদিকে, রেফারির সিদ্ধান্তের পেছনেও যুক্তি রয়েছে। মুনুয়েরার কাছে মার্তিনের হাতের সংস্পর্শ এমবাপ্পের দৌড়ে বাধা সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট ছিল। বক্সের ভেতরে কোনো সংস্পর্শ খেলোয়াড়ের গতিবিধিতে বাধা দিলে সেটি ফাউল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে ঠিক কতটা ওই স্পর্শ এমবাপ্পের চলার পথে প্রভাব ফেলেছে, তা নির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করা কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে রেফারির বিচার বিবেচনাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এ ঘটনায় ভিএআরের হস্তক্ষেপের সুযোগও সীমিত ছিল। কারণ, রেফারি নিজেই ঘটনাটি দেখেছিলেন এবং নিজের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। সংস্পর্শ না হলে ভিএআর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারতো। কিন্তু সংস্পর্শের অস্তিত্ব থাকায় সিদ্ধান্তটি বহাল থাকে।

