নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, ইসরায়েলে সরকার গঠনের চাবি আরব দলগুলোর হাতে

সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেন মানসুর আব্বাস
রা’আমের প্রধান মানসুর আব্বাস জানিয়েছেন, রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে দুই শিবিরের প্রতিনিধিরাই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। চ্যানেল ১২-কে তিনি বলেন, ‘সবাই আমাদের সঙ্গে কথা বলছে, শুধু পরিবর্তনপন্থী শিবির নয়।’ তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, নেতানিয়াহুপন্থী শিবিরের প্রতিনিধিরাও দলটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
বুথফেরত জরিপে রা’আম সাতটি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আব্বাস নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে এ ধরনের জোটের মাধ্যমে বাস্তবে সরকার গঠন সম্ভব কি না, তা আগে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি।
আব্বাস বলেন, ‘বর্তমানে সরকার গঠনের মতো আসনসংখ্যা নেই।’ তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জায়োনিস্ট বিরোধী দলগুলোর সম্ভাব্য ৫২টি আসনের সঙ্গে রা’আমের সাতটি আসন যোগ হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসনের চেয়ে দুই আসন কম থাকবে।
অন্যদিকে, জয়েন্ট লিস্ট ১০ বা ১১টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে প্রধান সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর বুথফেরত জরিপ। দলটির নির্বাচনী সদর দপ্তরে ফলাফলের পূর্বাভাস প্রকাশের পর সমর্থকদের উল্লাস করতে দেখা যায়। তাঁদের মুখে কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভিরের উদ্দেশে ‘চলে যাও বেন গভির’ স্লোগান শোনা যায়।
জয়েন্ট লিস্টের চেয়ারম্যান ইউসুফ জাবারিন ও দলের অন্য নেতারাও ওই স্লোগানে যোগ দেন। সমর্থকদের উদ্দেশে জাবারিন বলেন, তাঁদের দল নেতানিয়াহু, অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ এবং ‘রক্তে রঞ্জিত সরকারকে’ ক্ষমতা থেকে সরানোর আশা করছে।

