ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭.১ বিলিয়ন ডলার

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় বেড়ে আনুমানিক ৪৭১০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের (পেন্টাগন) কংগ্রেসে জমা দেওয়া সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত এই ব্যয় হয়েছে। সেপ্টেম্বরের শুরুর হিসাবের তুলনায় তা বেড়েছে ৩৫০ কোটি ডলার। খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি)।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধটি আট মাসে গড়িয়েছে। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধের ব্যয়, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং সংঘাত অবসানের প্রশ্ন মার্কিন রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।
কোন খাতে কত ব্যয়?
মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের (সেন্টকম) ১৬ অক্টোবরের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধের মোট ব্যয়ের প্রধান তিনটি খাত হলো অস্ত্র ও গোলাবারুদ পুনরায় সংগ্রহ, সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং হারানো সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন।
অস্ত্র ও গোলাবারুদ: ২৯০০ কোটি ডলার। যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র, বোমা ও অন্যান্য অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতে এই অর্থ প্রয়োজন হবে।
সামরিক অভিযান পরিচালনা: ১১৯০ কোটি ডলার। সেনাসদস্যদের সহায়তা, পরিবহন, বিমান পরিচালনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার মতো খাতে এ ব্যয় হয়েছে।
হারানো সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন: প্রায় ৬১০ কোটি ডলার। ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপনের ব্যয় এতে অন্তর্ভুক্ত।
এই তিনটি খাতের যোগফল প্রায় ৪৭০০ কোটি ডলার। প্রতিবেদনে উল্লেখিত মোট ৪৭১০ কোটি ডলারের সঙ্গে সামান্য পার্থক্যটি হিসাবের আনুমানিকতা ও রাউন্ডিংয়ের কারণে হতে পারে। সেন্টকমের বিস্তারিত হিসাবের সব উপখাত প্রকাশিত তথ্য থেকে পুরোপুরি মেলানো যায় না।
সামরিক বাহিনীভিত্তিক ব্যয়
অভিযান পরিচালনার প্রায় ১১৯০ কোটি ডলারের মধ্যে বিভিন্ন বাহিনীর ব্যয়ের হিসাবও রয়েছে।

