স্পেনের ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার বর্ণনা দিলেন যাত্রী

তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় বেঁচে ফেরার পর নিজেকে নতুন করে জন্ম নেওয়া মানুষ মনে হচ্ছে। ট্রেনের সামনের দিকে তাঁর বগি থাকায় প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। তবে সংঘর্ষের ধাক্কায় তাঁর বগির অনেক যাত্রীর হাত ও নাক ভেঙে যায়।
এর আগে গত জানুয়ারিতে একই রেলপথে আদামুজ শহরের কাছে আরেকটি দুর্ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। একই দুই রেল সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকায় নতুন দুর্ঘটনাটি স্পেনের দ্রুতগতির রেলব্যবস্থার নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ইউরোপের দীর্ঘতম এই রেল নেটওয়ার্ক একসময় স্পেনের গর্ব হিসেবে বিবেচিত হতো।
হেরেরো জানান, জানুয়ারির দুর্ঘটনার পর প্রায় দেড় মাস ট্রেনে যাতায়াতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন তিনি। তবে সেভিল-মাদ্রিদ রুটে নিয়মিত যাতায়াতকারীদের জন্য বিকল্পও সীমিত। সড়কপথের অবস্থা ভালো নয়, জ্বালানির দাম বেশি এবং বিমানে যাতায়াতও সবার পক্ষে সম্ভব নয়।
দুর্ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে হেরেরো বলেন, সংশ্লিষ্টদের এখনই দায় নিতে হবে। আদালত, রাজনীতিবিদ কিংবা জনগণ—যার মাধ্যমেই হোক, দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এমন ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হবে।

