শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রীবনানীতে ক্লাব নটরডেমিয়ান্সের বিশেষ স্বাস্থ্য সেমিনারদাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরব না: জামায়াত আমিরজামায়াতের লংমার্চ থেকে ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ১ধর্মীয় বক্তা মিসবাহর ষষ্ঠ স্ত্রী দাবি করে প্রকাশ্যে এলেন রোহিঙ্গা নারীহ্যাকিংয়ে চুরি হওয়া সম্পদের ৯০ শতাংশ উদ্ধারের দাবি বাইন্যান্সেরচোখে আলো নেই, তবুও জিপিএ-৫ পেলেন মৌমিপ্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘অশ্লীল’ নৃত্য, ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্তসিংহীমারী গ্রামে শিশুর কণ্ঠে লোকসংস্কৃতি বাঁচানোর লড়াইঘিওরের জাবরা বাজারে মরমি সুরে শেষ হলো ৯ দিনের বাউল মেলা
বিজ্ঞাপন

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে আটকে গেল নেতানিয়াহু ও বিরোধীদের ভাগ্য?

নিজস্ব প্রতিবেদক৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ পিএম
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে আটকে গেল নেতানিয়াহু ও বিরোধীদের ভাগ্য?

নির্বাচনের পর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জয়েন্ট লিস্ট জানায়, তারা নেতানিয়াহুর সরকারকে হটাতে রাজনৈতিক সহযোগিতায় প্রস্তুত। তবে আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন সরকারকে তারা কোনো শর্তে সমর্থন দেবে কি না, তা স্পষ্ট করেনি। অন্যদিকে নির্বাচনের ঠিক আগে চ্যানেল ১২-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাম নেতা মনসুর আব্বাস বলেন, পার্লামেন্টে সরকার উপহার দেওয়ার কৌশল তার জানা আছে।

বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার সংকট

আরবদের সমর্থন না পেলে আইজেনকোটের জোট কট্টর অর্থোডক্স দলগুলোর ১৩টি আসন নিয়ে সরকার গড়ার চেষ্টা করতে পারে। এই দল দুটি হলো শাস এবং ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম।

কিন্তু আইজেনকোটের জোটের চারটি দলই কট্টর অর্থোডক্সদের সামরিক সেবা থেকে দেওয়া বিশেষ ছাড় বাতিলের বিষয়টিকে মূল নির্বাচনী এজেন্ডা করেছিল। অন্যদিকে হারেদি দলগুলো এই ছাড় বহাল রাখতে অনড়। ফলে এই দলগুলোর সঙ্গে জোট বাঁধার অর্থ দাঁড়াবে সরাসরি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা।

নেতানিয়াহুর সঙ্গে ঐক্যের সরকার

নেতানিয়াহুকে বাদ দিয়ে সরকার গঠনের বিকল্প পথগুলো অত্যন্ত দুর্বল। এ অবস্থায় বিরোধী জোটের সামনে আরেকটি বিকল্প হলো নেতানিয়াহুর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করা।

তবে এই সিদ্ধান্তও হবে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির চরম লঙ্ঘন। কারণ বিরোধী চারটি দলের মূল লক্ষ্যই ছিল ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করা। তাদের মতে, নেতানিয়াহু দেশের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি।

অক্টোবরের শেষের দিকে এক রেডিও সাক্ষাৎকারে আইজেনকোট বলেন, তিনি কোনো অবস্থাতেই নেতানিয়াহুর অধীনে সরকারে যাবেন না। এমনকি মেয়াদের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রিত্ব ভাগাভাগির সমঝোতাতেও যাবেন না।

বেনেট এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নেতানিয়াহু ইসরায়েল রাষ্ট্রকে ধ্বংস করছেন, তাই তিনি তার সঙ্গে সরকারে বসবেন না। দুই সপ্তাহ আগে এক্স হ্যান্ডেলে লিবারম্যান লেখেন, পৃথিবী উল্টে গেলেও তারা কোনো পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর সঙ্গে হাত মেলাবেন না।

গোলানের বক্তব্য ছিল স্পষ্ট, তারা নেতানিয়াহু ও তার সহযোগীদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা করবেন না।

নেতানিয়াহুর সামনে চ্যালেঞ্জ

অপরদিকে নেতানিয়াহুর সামনেও সরকার গঠনের মসৃণ কোনো পথ নেই। তাঁর জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে। নির্বাচনের আগে যে লক্ষ্য ছিল, সে তুলনায় এটি ভালো ফল হলেও আগের ৬৮ আসনের চেয়ে অনেক কম।

সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় বাকি আটটি আসন জোগাড় করা তার পক্ষে প্রায় অসম্ভব। প্রচারণার সময় বিরোধীদের ঘায়েল করতে নেতানিয়াহু আরবদের প্রসঙ্গ টেনে এনেছিলেন। নির্বাচনের প্রাক্কালে দেওয়া ভাষণে তিনি আরব দলগুলোর সঙ্গে বিরোধীদের সহযোগিতার সম্ভাবনাকে লজ্জাজনক বলে আখ্যা দেন।

আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...