চুয়াডাঙ্গা জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মেহেদী শাহরিয়ার। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের মধ্য দিয়ে তিনি দায়িত্ব বুঝে নেন। তিনি চুয়াডাঙ্গার ৩২তম পুলিশ সুপার।
নতুন পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পৌঁছালে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মিনহাজ-উল-ইসলামসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার ও অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
মেহেদী শাহরিয়ার যশোর জেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ২৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ২০১০ সালে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে কর্মজীবন শুরু করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ও পদে দায়িত্ব পালন করেছেন মেহেদী শাহরিয়ার। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) কর্মরত ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার হিসেবে তিনি সদ্য বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
নতুন পুলিশ সুপারের যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মিনহাজ-উল-ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) শেখ মোহাম্মদ নুরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিস) মোঃ সোয়েব আহমেদ ও সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিস) হিমন বিশ্বাস।
এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইনচার্জ, সিসিআইসি, আরআই, টিআইসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর নবাগত পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার চুয়াডাঙ্গার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি জেলার সরকারি-বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জনবান্ধব ও পেশাদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


