রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গায় ৩৭৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ৩, নগদ অর্থ ও মোটরসাইকেল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৯ এএম
চুয়াডাঙ্গায় ৩৭৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ৩, নগদ অর্থ ও মোটরসাইকেল জব্দ

চুয়াডাঙ্গা সদর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩৭৭ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় মাদক বিক্রির নগদ ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫০০ টাকা, একটি মোটরসাইকেল, দুটি মোবাইল ফোন ও সিসি ক্যামেরা জব্দ করা হয়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) চুয়াডাঙ্গা সদর থানা এলাকার হাসপাতাল রোড এবং টিএনটি পাড়ায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পোস্ট অফিস পাড়ার কামাল শেখের ছেলে অন্তর শেখ (৩২), একই উপজেলার বাগানপাড়ার আশরাফুল আলমের ছেলে সাব্বির হোসেন (২৫) এবং দামুড়হুদা উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে মোফাজ্জেল হক (৪৭)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে হাসপাতাল রোডে অন্তর শেখের মুদি দোকান ‘বাদল স্টোর’-এ অভিযান চালানো হয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ক্যাশ বাক্সের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। একই সঙ্গে ক্যাশ বাক্সে থাকা মাদক বিক্রির নগদ ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫০০ টাকা, দুটি মোবাইল ফোন এবং দোকানের সামনে থাকা একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন ইয়ামাহা এফজেড মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

পরবর্তীতে টিএনটি পাড়ার একটি পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় মোফাজ্জেল হকের ভাড়া বাসায় তল্লাশি চালায় অভিযানকারী দল। সেখানে শয়নকক্ষের কাঠের আলমারির ওপরের তাকে কাপড়ের আড়াল থেকে আরও ২৭৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া সাব্বির হোসেনের কাছ থেকে পাওয়া যায় আরও দুই পিস ইয়াবা। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৭৭ পিস। অভিযানের সময় একটি সিসি ক্যামেরাও জব্দ করা হয়েছে।

অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আশিস মোমতাজ। তিনি আটক মোফাজ্জেল হককে ২১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অন্যদিকে অন্তর শেখের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা করেছেন।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আঞ্চলিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...