অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার যাবে ৭ জোড়া ট্রেন
রেলমন্ত্রী বলেন, আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে দুই জোড়া ট্রেন চলত। মহানগর এক্সপ্রেস কক্সবাজার পর্যন্ত চালু হওয়ায় এখন তিন জোড়া ট্রেন চলাচলের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা সাত জোড়ায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন ট্রেনটি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার রুটে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাবে।
মহানগর এক্সপ্রেস কক্সবাজার পর্যন্ত নেওয়ায় চট্টগ্রামের যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, চলমান মহানগর এক্সপ্রেসসহ অন্যান্য ট্রেনে কোচের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এতে কক্সবাজারের অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে চট্টগ্রামের যাত্রীরা অসুবিধায় পড়বেন না বলে আশা করছেন তিনি।
রেল যোগাযোগের উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, রেলকে মানসম্মতভাবে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ আসছে, পাশাপাশি বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ চলছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ট্রেন চালুর বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাঁর আশা, এর ফলে কমিউটার ও আন্তনগর ট্রেন চলাচলে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
ট্রেনে পাথর নিক্ষেপে সামাজিক দায়ও আছে
ট্রেনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তায় রেল পুলিশ ও রেলের অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে। তবে স্টেশনগুলোতে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকায় যত্রতত্র মানুষের চলাচল এবং কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। রেলের বিস্তারের সঙ্গে নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবাও পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা প্রতিরোধে রেললাইনের পাশে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, চলন্ত ট্রেনে ঢিল ছুড়ে যাত্রীদের আহত করা অপরাধ। এ ধরনের ঘটনা সামাজিকভাবে, আইনগতভাবে ও সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, রেলের নিরাপত্তার প্রাতিষ্ঠানিক দায় কর্তৃপক্ষের রয়েছে। তবে এ দায় শুধু রেল কর্তৃপক্ষের নয়, সমাজ ও দেশের মানুষেরও দায়িত্ব রয়েছে।
মহানগর এক্সপ্রেসের বর্ধিত রুট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

