মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
রাজধানীর দুই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণমাদক ছাড়তে বলায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তারদেশের ক্রিকেটারদের জন্য সুখবরের আভাস দিলেন তামিমদুই দফায় এলপিজির দাম বাড়ানো কোনোভাবেই জনস্বার্থসম্মত নয়: এবি পার্টিসান্তাহারে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করায় ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা‘ওভারিয়ান ক্যানসার’ কী কীভাবে হয়, চিকিৎসা পদ্ধতি জানালেন ডা. হ্যাপীআন্তর্জাতিক ই-কমার্সে শক্ত অবস্থান গড়ছে রিমার্ক, বিশ্ববাজারে যাচ্ছে হাজারো পণ্যছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, আটক শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের জের, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ১০এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকা উচিত: স্যাম অল্টম্যান
বিজ্ঞাপন

শ্রমিকদের উসকানিতে পা না দেওয়ার আহ্বান ডিসি ফরিদার

নিজস্ব প্রতিবেদক০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম
শ্রমিকদের উসকানিতে পা না দেওয়ার আহ্বান ডিসি ফরিদার

পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অন্যান্য যৌক্তিক দাবি পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। শ্রমিকদের কোনো ধরনের উসকানি, অপপ্রচার কিংবা স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের ব্যবহার করে কেউ যেন দেশের শিল্পকারখানা ও অর্থনীতির ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সাভার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে পোশাকশিল্পের চলমান শ্রমিক অসন্তোষ ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি ফরিদা খানম বলেন, পোশাকশ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ তাদের অন্যান্য দাবি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ইতোমধ্যে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এতে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি একজন নিরপেক্ষ প্রতিনিধিও রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সবার মতামত, শিল্পের সক্ষমতা এবং শ্রমিকদের জীবনযাত্রার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে একটি যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করা হবে। আশা করা যাচ্ছে, খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।

পোশাক শ্রমিকদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, আপনাদের ন্যায্য দাবিকে পুঁজি করে কোনো মহল যেন দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ নিতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ধরনের উসকানি, অপপ্রচার কিংবা স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় পা দেওয়া যাবে না। আন্দোলন বা দাবি আদায়ের নামে কারখানায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, সড়ক অবরোধ কিংবা উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকরাই। এতে তাদের কর্মসংস্থান ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। তাই যেকোনো দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও আলোচনাভিত্তিক পথ অনুসরণ করতে হবে।

তৈরি পোশাকশিল্পকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি উল্লেখ করে ফরিদা খানম বলেন, এ শিল্পের সঙ্গে লাখ লাখ শ্রমিকের জীবন-জীবিকা, দেশের রপ্তানি আয় ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি জড়িত। গার্মেন্টসশিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম সচল থাকলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষিত থাকবে এবং দেশের অর্থনীতিও গতিশীল থাকবে। তাই কোনোভাবেই যেন এ শিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে শ্রমিক, মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...