শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, পুলিশি হামলার বিচারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদেরবিদেশি পিস্তল-গুলি-ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার২০২৭ সালেই সাইবারট্রাকের উৎপাদন বন্ধ করবে টেসলামা-বাবার স্মরণে ৯ বছর ধরে বিনামূল্যে চিকিৎসা, দেন যাতায়াত ভাড়াওতালার শালিখা নদীতে ভাসছিল অজ্ঞাতনামা পুরুষের লাশমসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধ, হামলায় বিএনপি নেতার মৃত্যুরাজধানীতে পৃথক অভিযানে ২ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার৭ নভেম্বরের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতিরকুড়িগ্রামে হিমালয়ান গৃধিনী শকুন উদ্ধার, পাঠানো হলো রংপুরে১৯০ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় কেনিয়ায় ‘কাল্ট’ নেতার ২০০ বছরের কারাদণ্ড
বিজ্ঞাপন

গাড়ি থামিয়ে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি, অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
গাড়ি থামিয়ে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি, অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে

কক্সবাজারের খরুলিয়ায় তিন মোটরসাইকেলে ছয়জন এসে মাইক্রোবাস থামিয়ে মাহমুদুল হক (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতার তিন ভাই ও তার সহযোগীরা জড়িত।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কক্সবাজার সদরের খরুলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ মাহমুদুল হককে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

গুলিবিদ্ধ মাহমুদুল হক কক্সবাজার স সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংক রোড এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার পৌর শহরের হাশেমিয়া মাদ্রাসা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। ওই এলাকায় ও রামুতে তার আসবাবের ব্যবসা রয়েছে।

চিকিৎসাধীন মাহমুদুল হক সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার দুপুরে বাসা থেকে মাইক্রোবাসে করে রামুর দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। খরুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা ছয় ব্যক্তি তার মাইক্রোবাসের গতিরোধ করেন। এরপর তাকে লক্ষ্য করে তিনটি গুলি ছোড়া হয়। তার পিঠ, কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে। হামলাকারীরা পালিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

তার অভিযোগ, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশেদ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলীর অনুসারী। হামলাকারীদের মধ্যে লিংকরোড এলাকার জায়েদ, কিতাব আলী, ওয়াজেদ আলী ও আবু নাছেরকে চিনতে পেরেছেন বলে দাবি তার।

অভিযোগ অস্বীকার করে রাশেদ উল্লাহ বলেন, গুলি চালানোর ঘটনা শুনেছি। তখন আমি মসজিদের একটি বৈঠকে ছিলাম। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ঘটনার পর পুলিশের কয়েকটি দল মাঠে কাজ করছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...