চিকিৎসকের কাছে রোগী মানেই শুধু একজন চিকিৎসাপ্রার্থী নন, বরং তার কষ্ট ও অসহায়ত্বও গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে। এমনই এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক মো. ফারুকুজ্জামান।
সম্প্রতি এক প্রতিবন্ধী রোগী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তিনি চেয়ারে উঠে বসতে পারছিলেন না। বিষয়টি বুঝতে পেরে চিকিৎসক ফারুকুজ্জামান তাকে চেয়ারে ওঠার জন্য কোনো চাপ দেননি। বরং নিজেই মেঝেতে রোগীর পাশে বসে তার শারীরিক সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেন।
চিকিৎসকের এমন আচরণে উপস্থিত অনেকেই প্রশংসা করেছেন। রোগীর সঙ্গে মেঝেতে বসে কথা বলা কিংবা তার সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা—বিষয়টি হয়তো খুব সাধারণ মনে হতে পারে, কিন্তু একজন অসহায় রোগীর কাছে এমন আচরণই হয়ে উঠতে পারে বড় ধরনের স্বস্তির কারণ।
সহকর্মী ও রোগীদের কাছে ফারুকুজ্জামান একজন রোগীবান্ধব ও নিরহংকার চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রোগীর প্রতি সহমর্মিতা ও মানবিক আচরণের কারণে তিনি অনেকের কাছেই প্রশংসিত।
চিকিৎসকের এমন মানবিক আচরণের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে প্রশংসা করছেন অনেকে। অনেকেই মনে করছেন, চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও মানবিকতাও একজন চিকিৎসকের গুরুত্বপূর্ণ গুণ।
মো. ফারুকুজ্জামানের মতো চিকিৎসকদের হাত ধরেই চিকিৎসাসেবায় মানুষের প্রতি আস্থা আরও বাড়বে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।
আল্লাহ তাকে সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু দান করুন—এমন শুভকামনাও জানিয়েছেন অনেকেই।


