‘ডিজিটালি পে করলে অর্থনীতিতে আসবে বড় পরিবর্তন’

তিনি জানান, পুরো অর্থনীতিকে ডিজিটাল পেমেন্টের আওতায় আনা গেলে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার পাশাপাশি দেশে অতিরিক্ত আড়াই কোটি টাকা পর্যন্ত নতুন ট্যাক্স রাজস্ব আয় হতে পারে। হিসাব-নিকাশ স্বচ্ছ করা ও নাগরিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতে বাংলা কিউআর একটি বড় পদক্ষেপ। বর্তমানে সারাদেশে বাংলা কিউআর গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ এবং দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। দিনাজপুরে সিটি ব্যাংকেরই ৩১৫টি মার্চেন্ট পয়েন্ট রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৫০০টি লেনদেনের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা লেনদেন হচ্ছে। আমরা চাই এটা ৩০ কোটি টাকা ট্রানজেকশন হোক।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান এবং সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশরুর আরেফিন। তিনি বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীর ধারাবাহিকতায় এবার দিনাজপুরে আমরা এই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছি। কিউআর পেমেন্টের ফলে খুচরা টাকার বিড়ম্বনা বা ভাঙতি দেওয়ার সমস্যা পুরোপুরি দূর হয়ে যায়। এছাড়া দিনশেষে ব্যবসায়ীদের কষ্ট করে নগদ টাকা ব্যাংকে গিয়ে জমা দেওয়ার বাড়তি ঝামেলাও থাকে না।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক এস এম আব্দুল বারি, সহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ জোবায়েরসহ ব্যাংকটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

