হুইপের ঘোষণায় ক্ষোভ, পূর্বনির্ধারিত স্থানেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চান শরীয়তপুরবাসী

বক্তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কোনো নির্দিষ্ট এলাকার উন্নয়নের জন্য নয়; বরং এটি পুরো জেলার উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। তাই ক্যাম্পাসের স্থান নির্ধারণে কোনো একটি এলাকার স্বার্থের চেয়ে জেলার সামগ্রিক যোগাযোগব্যবস্থা, নাগরিক সুবিধা, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
মানববন্ধন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে জেলা শহরের কাছাকাছি শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পূর্বনির্ধারিত স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান অংশগ্রহণকারীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তাঁরা।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের অক্টোবরে শরীয়তপুরে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই বছরের ১২ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে খসড়া আইন প্রণয়নের জন্য চিঠি দেয়।
পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন প্রণয়নের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়। ২০২৩ সালের ৯ জানুয়ারি খসড়া আইনটি অনুমোদিত হয়। একই বছরের ১২ জুন মন্ত্রিসভায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০২৩ চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। পরে ১৩ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির গেজেট প্রকাশ করা হয়। শুরুতে এর নাম ছিল ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শরীয়তপুর’।

