রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় শিশুকে ইট দিয়ে মেরে জখম, আসামি গ্রেপ্তারমিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুনএল নিনোর প্রভাবে বিপর্যস্ত বলিভিয়া, জরুরি অবস্থা জারিক্রিপ্টোকারেন্সিতে বৃহত্তম চুরি: ৯০ শতাংশই উদ্ধারের দাবি বাইন্যান্সেরঅস্ট্রেলিয়াকে সিরিজ হারিয়ে বাংলাদেশের অপেক্ষায় দক্ষিণ আফ্রিকাজীবননগরে বৃত্তি পরীক্ষার হল পরিদর্শন করলেন এমপি রুহুল আমিনপরিকল্পিতভাবে পোশাকশ্রমিকদের উসকে দেওয়া হচ্ছে: শ্রমমন্ত্রীএকের পর এক ব্যর্থতা, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট কি তবে পতনের পথে?এইচএসসিতে লক্ষ্মীপুরে সেরা প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজএবার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করায় আগ্রহ ট্রাম্পের
বিজ্ঞাপন

তিন সংস্থার ১৪ কর্তায় রেলের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
তিন সংস্থার ১৪ কর্তায় রেলের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা

দুদক কর্মকর্তারা জানান, এসব অসংগতি যাচাই না করেই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তা ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেন।

ট্রেড লাইসেন্স ও জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি ব্যবহার করে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর সীমান্ত ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় মেসার্স দি কসমোপলিটন করপোরেশনের নামে একটি এসএনডি হিসাব খোলা হয়। হিসাব খোলার ফরমে প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক লেনদেন ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা দেখানো হয়েছিল।

দুদকের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই না করেই ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা হিসাব খোলার সুযোগ দেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, রেলওয়ের আইবাস++ ব্যবস্থায় ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ভুয়া বিলটির টোকেন ও বিল এন্ট্রি করা হয়। এ কাজে রেলওয়ের সাবেক অডিটর পবন কুমার পালিতের পরিচিতি ব্যবহার করা হয়। হিসাব কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেনের পরিচিতি ব্যবহার করে বিলটি অনুমোদন করা হয়।

রেলওয়ের স্টোরস শাখার রেজিস্টার ও সংশ্লিষ্ট নথিতে বিলটির পক্ষে কোনো রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বিলের সই, সিল ও অন্যান্য তথ্যেও অসংগতি ছিল।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিলটির বিপরীতে ১১৩৯০৮৫ নম্বরের একটি চেক ইস্যু করা হয়। সংশ্লিষ্ট হিসাব বিভাগের কর্মকর্তারা মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই না করে চেকটি অনুমোদন করেন বলে অভিযোগ দুদকের।

রেলওয়ের অফিস সহায়ক মো. মাকসুদুর রহমানের মাধ্যমে চেকটি সোহাগ আলী নামের এক ব্যক্তির হাতে পৌঁছায়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির মালিক নাবিল আহসান দুদককে জানিয়েছেন, সোহাগ আলী নামে কাউকে তিনি চেনেন না এবং ওই ব্যক্তি তাঁদের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত প্রতিনিধি নন।

২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি চেকটি সীমান্ত ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় মেসার্স দি কসমোপলিটন করপোরেশনের হিসাবে জমা দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন তারিখে ওই হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২ জানুয়ারি ৮০ লাখ টাকা এবং ৮ জানুয়ারি আরও ৮ লাখ ও ৫ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। বিভিন্ন তারিখে পুরো ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে দুদক।

দুদকের এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...