মালিকদের বিরোধে বন্ধ গভীর নলকূপ, সেচসংকটে ২০০ বিঘা জমি

স্থানীয় কৃষক আব্দুল মোত্তালেব বলেন, নলকূপ বন্ধ থাকায় জমিতে সময়মতো পানি দেওয়া যাচ্ছে না। এতে ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
আরেক কৃষক মুনসুর বলেন, চাষাবাদে ইতিমধ্যে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। সময়মতো সেচ দিতে না পারলে সেই খরচের সুফল পাওয়া যাবে না।
এ ছাড়া খয়বর, শফি, খোরশেদ, নূর মোহাম্মদ, আজবাহার ও মান্নানসহ স্থানীয় অন্য কৃষকেরাও দ্রুত নলকূপটি চালুর দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. সেলিম উদ্দিন মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘নলকূপের মালিকানা নিয়ে আমাদের মধ্যে কিছু বিরোধ রয়েছে। তবে কৃষকদের ক্ষতি করার উদ্দেশে নলকূপটি বন্ধ রাখিনি। বিদ্যুতের সরঞ্জাম নিজের হেফাজতে রাখার নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে।’ বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘একটি অভিযোগ পেয়েছি। মালিকদের মধ্যে বিরোধ থাকতে পারে, তবে এর কারণে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

