এক বছরে শ্যামাসুন্দর খালের কাজ ১৮ শতাংশ, জুনের মধ্যে বাকি কাজ শেষের তাগিদ

খালে বর্জ্য ফেলা বন্ধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাতে অনেকে প্লাস্টিকে বেঁধে খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলেন। এসব কর্মকাণ্ড শনাক্ত করতে প্রয়োজনে সিসি ক্যামেরার সহায়তা নেওয়া হবে। কোন বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে, তা শনাক্ত করে সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে জরিমানা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
খাল পুনরুদ্ধারের পর সেখানে ওয়াকওয়ে নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, রংপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, শ্যামাসুন্দর খাল আবার প্রাণ ফিরে পাবে। এ জন্য খালের পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনাও তাঁরা বিবেচনা করছেন।
প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করাই এখন অগ্রাধিকার বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, প্রকৌশলীরা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নের পর কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এদিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহাপরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ কাজ শেষ করে বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করা হবে। এ ক্ষেত্রে চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা এমনভাবে এগিয়ে নিতে চান, যাতে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কমানো সম্ভব হয়।

