মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা ডট নেট
শিরোনাম
স্বর্ণের দামে বড় লাফ, আজ যত টাকায় বিক্রিথানায় লিখলেন এআই ভিডিও, মুখে বললেন ‘ভিডিওটি আমার ফোনে ধারণ করা’এলপিজির দাম বেড়ে যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে আজযুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই, বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্পহিংসা-বিদ্বেষ থেকে হৃদয় পবিত্র রাখার উপায়রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট মঙ্গলবার বন্ধমেহেরপুরে অস্ত্র আইনের মামলায় একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ডমেহেরপুরে জাল ব্যান্ডরোলের নকল বিড়ি পাচার মামলায় ৩ জনের ১৪ বছরের কারাদণ্ডকালীগঞ্জে বিশেষ অভিযানে ছাত্রলীগ কর্মী ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৫ঝিনাইদহে পুকুরের পানিতে ডুবে তিন বছরের শিশুর মৃত্যু
বিজ্ঞাপন

মেহেরপুরে জাল ব্যান্ডরোলের নকল বিড়ি পাচার মামলায় ৩ জনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ এএম
মেহেরপুরে জাল ব্যান্ডরোলের নকল বিড়ি পাচার মামলায় ৩ জনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ নকল আকিজ বিড়ি পাচারের দায়ে তিনজনকে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; যা অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস কারাভোগ করতে হবে।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এ এস এম সাইদুর রাজ্জাক (টোটন) রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন মেহেরপুর সদর উপজেলার জুগিন্দা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মো. শাহীন আলম (৩৫), কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের মোহাম্মদ এলাহির ছেলে তহিদুল ইসলাম (৪২) এবং একই উপজেলার মোকলেসের ছেলে আরাফাত রহমান (২০)।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক তা নামঞ্জুর করে সরাসরি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এলাকা থেকে একটি পিকআপ ভ্যানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত নকল আকিজ বিড়ি মেহেরপুরে পাচার করা হচ্ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মেহেরপুর সদর থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে পিকআপটি আটক করে এবং তল্লাশি চালিয়ে ৭ লাখ ৯৫ হাজার শলাকা নকল আকিজ বিড়ি জব্দ করে।

এ ঘটনায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়, যার জিআর নম্বর ২৫১/২৪ এবং এসটিসি নম্বর ১৫/২৫। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা প্রদান করেন।

আঞ্চলিক সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...