পটিয়ায় যুবদলের দুই পক্ষের তিন দফা সংঘর্ষে আহত ১৩

ঘটনার পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাত আটটার দিকে আমজাদের পক্ষের লোকজন এসে সুজনসহ চার-পাঁচজনকে মারধর করেন। আহত সুজনকে পরে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
রাত সাড়ে নয়টার দিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে নেওয়ার সময় হাসপাতালের প্রবেশমুখে আবার সংঘর্ষে জড়ান দুই পক্ষের লোকজন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হন। খবর পেয়ে পটিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, আমজাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দীনের অনুসারী। সুজন হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সদস্য শফিকুল ইসলামের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
সম্প্রতি হুলাইন পাইরোল উচ্চবিদ্যালয়ে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর থেকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. হাদী জানান, সুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চমেক হাসপাতালে পাঠানোর সময় হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন। সংঘর্ষে আহত ১০ জন পটিয়া হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

