‘মেম্বার-চেয়ারম্যান প্রার্থী দেবেন, নলা নিয়ে বাড়িতে যাইতে পারবেন না’

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে দলের নেতাকর্মীদের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তা দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থি হবে বলেও মন্তব্য করেন।
এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, দলের শৃঙ্খলা নষ্ট করে বিদ্রোহী প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে নেতাকর্মীদের উসকানি দেওয়া হচ্ছে এমন ব্যক্তিদের উদ্দেশে তিনি ওই বক্তব্য দিয়েছেন।
ওই সংসদ সদস্য বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দল-সমর্থিত প্রার্থীর বাইরে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দলীয় প্রার্থীর বিজয়ী হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে দল-সমর্থিত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। তবে এককভাবে কাউকে মনোনয়ন দেব, এমন কথা বলিনি।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সালেহ আহমদ সালেহ, যুবদল নেতা নাসির উদ্দিন, জেলা জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি হামিদুল হক ভূঁইয়া, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ।

